নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট। অর্থাৎ, নিউজিল্যান্ড দলে তিনি এখন খেলবেন নিজের পছন্দ অনুযায়ী। বিষয়টি কিউইদের জন্য কতটা কঠিন হতে যাচ্ছে, সেটি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ‘বুঝিয়ে’ দিচ্ছেন বাঁহাতি পেসার। পেস বোলিং সঙ্গী টিম সাউদিকে নিয়ে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে রীতিমতো গতিঝড় তুলেছেন। তাদের তোপে উড়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ক্যারিবিয়ানদের ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৫০ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। বোলারদের ম্যাচে কিউইরাও ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারেনি। তারপরও লড়াই করার মতো স্কোর পেয়েছিল ফিন অ্যালেনের ৯৬ রানের অসাধারণ ইনিংসে ভর করে। তার ব্যাটে ৪৮.২ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে সফরকারীরা করে ২১২ রান। লক্ষ্য সহজ হলেও সাউদি-বোল্টের তোপে দিশেহারা ক্যারিবিয়ানরা। বৃষ্টির কারণে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে তাদের লক্ষ্য ঠিক হয় ৪১ ওভারে ২১২। সেই লক্ষ্যে ৩৫.৩ ওভারে ১৬১ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় ফেরালো কিউইরা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্যারিবিয়ান বোলিংয়ের সামনে খেই হারায় কেন উইলিয়ামসনবিহীন নিউজিল্যান্ড। মাত্র চার ব্যাটার যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে। সর্বোচ্চ ৯৬ রান করেছেন অ্যালেন। ওপেনিংয়ে নেমে এই ব্যাটার একপ্রান্ত আগলে রেখে বাড়িয়ে নিয়েছেন রান। যদিও মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা অ্যালেন তার ১১৭ বলের ইনিংস সাজিয়েছেন ৭ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায়। এছাড়া ৪১ রান করেছেন ড্যারিল মিচেল। ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন মিচেল স্যান্টনার। আর ১৬ রান করেন বোল্ট।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবচেয়ে সফল বোলার কেভিন সিনক্লেয়ার। এই স্পিনার ৮.২ ওভারে ৪১ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। জেসন হোল্ডার ৯ ওভারে মাত্র ২৪ রানে নেন ৩ উইকেট।
ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৪১ ওভারে ২১২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বোল্ট ও সাউদির তোপের মুখে পড়ে ক্যারিবিয়ানরা। সর্বোচ্চ ৫২ রান করেছেন ইয়ানিক ক্যারিয়া। ৮৪ বলের ইনিংসে মেরেছেন ২ চার ও ১ ছক্কা। দশ নম্বরে নামা আলজারি জোসেফ ৩১ বলে করেন ৪৯ রান। এছাড়া শাই হোপ ও কেচি কার্টি দুজনের ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান করে।
বল হাতে আলো ছড়ানো সাউদি ৭ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট। বোল্টও ছিলেন দুর্দান্ত। ৬ ওভারে ১৮ রান খরচায় তার শিকার ৩ উইকেট।