শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের নিয়মিত ক্রিকেটার রিকি ভূইয়াকে একাদশ থেকে সরিয়ে সুযোগ দেওয়া হয় আনকোরা আনমলপ্রীত সিংকে। এমন একাদশ দেখে ভারতীয় সমর্থকদের চোখও ছানাবড়া! তবে একটু পরই আস্থার প্রতিদান দিলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের সময় দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলে ভারতকে পঞ্চমবারের মতো ফাইনালে তোলেন আনমলপ্রীত।
তার ৭২ রানের ইনিংসের উপর ভর করেই ২৬৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ভারত। এদিন মিরপুরের উইকেটে ৯২ বলে ৬ চার ও এক ছয়ে তিনি তার ইনিংসটি সাজান। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া ভারতের ইনিংসের হাল ধরা আনমলপ্রীতির হাতেই উঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
মূলত পাঞ্জাবের ক্রীড়াপরিবার থেকে উঠে আসেন আনমলপ্রীত। বাবা সাতভিন্দার সিং ছিলেন ভারত জাতীয় হ্যান্ডবল দলের অধিনায়ক। যিনি ১৯৮৮ সাল থেকে ২০০০ সাল অব্দি ভারতের জাতীয় হ্যান্ডবল দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। হ্যান্ডবল না খেলে ক্রিকেটার হওয়ার ব্যাখা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা ভালো পারি, তাই। কাজিনরা ক্রিকেট খেলতো, তাদের খেলা দেখেই ক্রিকেটে আগ্রহ জাগে। মনে পড়ে, ছোটবেলায় আমার কোনও কোচ ছিল না। টিভিতে শচীন টেন্ডুকারদের খেলা দেখেই ব্যাটিংটা শিখতাম।’
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রিকি ভূইকে সরিয়ে আনমলপ্রীতকে একাদশে রাখার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দলের অধিনায়ক ইশান কিশান বলেন, ‘এমন না যে হুট করেই আনমল একাদশে এসেছে। নেটে তার ব্যাটিং আমরা পরখ করেছি। ভালো খেলে বলেই ১৫ জনের দলে জায়গা পেয়েছে। দলের প্রয়োজনের সময় আজ (মঙ্গলবার) আনমল দারুণ ব্যাটিং করেছে। তার উপর আমাদের আস্থা ছিল।’
/আরআই/এমআর/