দ্রুত ৪ উইকেট পতনকে দায়ী করছেন সোহান

ওপেনারদের ব্যর্থতায় সাব্বির রহমান-মেহেদী হাসান মিরাজকে দিয়ে সংকট কাটানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তাতেও যে খুব বেশি সফল হতে পেরেছে- এমনটা বলার সুযোগ নেই। শুক্রবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে মিরাজ-সাব্বির রান তাড়ায় ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি। এরপর আফিফ-লিটনের ৫০ রানের জুটির পর ১৪ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়েছে। তাতেই দিশা হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান পরাজয়ের জন্য দ্রুত উইকেট পতনকেই দায়ী করলেন।

দলীয় ৩৭ রানে দুই ওপনোরকে হারানোর পর আফিফ ও লিটন মিলে ৪০ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েছিলেন। ৮৭ রানের মাথায় লিটন আউট হতেই ছন্দপতন ঘটে ইনিংসে। মাত্র ১৪ রানে লিটন, মোসাদ্দেক, আফিফ ও সোহানকে হারিয়ে খেই হারায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। তারপর ইয়াসির আলী ২১ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললেও মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বাংলাদেশকে ১৪৬ রানে থামতে হয়েছে। ম্যাচের পর নুরুল হাসান সোহান বলেছেন, ‘শুরুতে দুই উইকেট পড়ার পর লিটন-আফিফের একটা জুটি হয়েছে। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো ছিল। আমরা ৩-৪ ওভারের মধ্যে চারটা উইকেট হারিয়েছি। আমার কাছে মনে হয় এখানেই ম্যাচের পার্থক্য হয়ে গেছে। যদি আরও একটু ভালো করতে পারতাম, তাহলে হয়তো ভিন্ন কিছু হতো।’

উইকেটের সুবিধা কাজে লাগাতেই টস জিতে বোলিং নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তাসকিন ছাড়া বাকি দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন ছন্নছাড়া। মোস্তাফিজতো ৪ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে উইকেট শূন্য ছিলেন। হাসান ১ উইকেট নিলেও খরচ করেচেন ৪২ রান। ছন্নছাড়া বোলিংয়ের পরও সোহান পেসারদের নিয়ে হতাশ নন, ‘আমাদের পেস বোলাররা কঠোর পরিশ্রম করছে। কিছু কিছু জায়গা নিয়ে উন্নতি করার চেষ্টা করছে। সবমিলিয়ে আমার কাছে মনে হয়, ভালো বোলিং করার চেষ্টা করেছি। কিছু জায়গা আছে উন্নতি করার।’

সোহান মনে করেন, উন্নতি করতে পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর সুবিধা ভোগ করতে পারবে বাংলাদেশ, ‘আমার মনে হয় কিছু জায়গা আছে, যেগুলোর উন্নতি এখান থেকে করলে বিশ্বকাপে ফল পাবো।’