টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৭ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তামিম ইকবাল। তার মাইফলক ছোঁয়ার দিনে বিধ্বস্ত হয়েছে স্বাগতিক দল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। তাদের বিপক্ষে ৭ উইকেটে জিতেছে তামিম ইকবালদের খুলনা টাইগার্স। চট্টগ্রামের দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪ বল আগে ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে খুলনা।
টানা দ্বিতীয় জয়ে ৫ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে খুলনা টাইগার্স পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে উঠে এসেছে।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ১৫৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই ফিরে যান ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার(০)। তার পর দ্বিতীয় উইকেটে তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান জুটি ১০৪ রান যোগ করেছেন। বাঁহাতি স্পিনার নিহাদুজ্জামানের দারুণ এক ডেলিভারিতে তামিম বিদায় নিলে ভাঙে দুর্দান্ত এই জুটি। ফেরার আগে অবশ্য কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে সাত হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। এই মুহূর্তে তামিমের রান ৭ হাজার ৩৯।
তামিমকে আউট করে পরের ওভারে নিহাদুজ্জামান তুলে নেন জয়কেও। অফস্ট্যাম্পে করা ডেলিভারিটি বুঝতে পারেননি তিনি। তাতেই স্টাম্প ভেঙে যায় তার। ততক্ষণে অবশ্য ৪৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় জয় ৫৯ রানের ইনিংস খেলে ফেলেছেন। দারুণ এই ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন এই ব্যাটার। এরপর ইয়াসির আলী ও আজম খান মিলে ২৮ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। আজম খান ১৬ বলে ১৫ এবং ইয়াসির আলী ১৭ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকেছেন।
৩২ রানে দুটি উইকেট নেন নিহাদুজ্জামান। এছাড়া শুভাগত হোম নেন একটি উইকেট।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পাওয়া চট্টগ্রাম ৮ রানেই হারায় ওপেনার ম্যাক্স ও’ডাউডকে। দ্বিতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন আফিফ হোসেন ও ওসমান খান। ৭০ রানের জুটি গড়ে আমাদ বাটের বলে নাসুমকে ক্যাচ দিয়ে ওসমান বিদায় নেন ৪৫ রানে। ৩১ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেছেন পাকিস্তানের এই ব্যাটার।
ওসমান ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে যান আফিফও। ৩১ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ফরহাদ রেজা ৯ বলে ২১ রানের ঝড়ো ইনিংস না খেললে দেড়শো রানও পার হতো না স্বাগতিকদের। এর বাইরে দরবেশ রসুলীর ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে ২৫ রান। সবমিলিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রামের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫৭।
খুলনা টাইগার্সের বোলারদের মধ্যে ওয়াহাব রিয়াজ ৩৬ রানে নেন চার উইকেট। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি এবং আমাদ বাট নেন একটি করে উইকেট।