বিপিএলে চারে চার কুমিল্লার। চার বার ফাইনাল খেলে চারবারই ট্রফি ঘরে তুলেছে তারা। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সিলেট স্ট্রাইকার্সকে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের জার্সিতে আরও একটি তারকা বসিয়েছে ইমরুল কায়েসের দল। কুমিল্লার ফিল্ডারদের বাজে ফিল্ডিংয়ের সুযোগ নিয়ে সিলেট ১৭৫ রান করেছিল। কিন্তু যেভাবে সুযোগ পেয়েছে, তাতে করে রানটা দুইশোও ছাড়িয়ে যেতে পারতো। সিলেটের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সেটি হয়নি। স্কোরবোর্ডে সিলেটের দুইশো রান না দেখে ভীষণ অবাক হয়েছেন কুমিল্লার কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। পাশাপাশি এও বলেছেন, সিলেটের বোলিংয়ে আক্রমণের দেখেই মূলত ট্রফি জেতার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন তিনি।
বিপিএলের ফাইনালে কখনোই ১৭৫ রান তাড়া করে জেতেনি কোনও দল। কিন্তু সালাউদ্দিন আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন নিজেদের ব্যাটিং লাইনআপ আর প্রতিপক্ষের বোলিং লাইনআপের দিকে তাকিয়েই। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার কোচ বলেছেন, ‘তাদের যে বোলিং কৌশল, সেটা আমাদের সঙ্গে যায়। তাদের চারটা পেস বোলার, একটা স্পিনার। আত্মবিশ্বাস ছিল আমরা ম্যাচ বের করতে পারবো।’
কুমিল্লার ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাতের সুযোগ নিয়ে সিলেট ১৭৫ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে। কুমিল্লা চারটি ক্যাচ, ওভার থ্রো থেকে দুটি চার ছাড়া আরও দুটি চার দিয়েছে পিচ্ছিল ফিল্ডিংয়ে। যেভাবে জীবন পেয়েছেন সিলেটের ব্যাটাররা, তারপরও দুইশো পেরুতে না পারাটা বিস্ময়েরই। কুমিল্লার কোচ সিলেটের ২০০ রান না হওয়াতে আশ্চর্য হয়েছেন, ‘আজকে (বৃহস্পতিবার) যেভাবে ফিল্ডিং করেছি, তাতে মনে হয়েছে দিনটা আমাদের নয়। খুবই বাজে ফিল্ডিং করেছি। উইকেটটাও ভালো ছিল। আমার মনে হয়েছে তারা ব্যাটিং খারাপ করেছে। ২০০ রান করার সুযোগ ছিল। যেভাবে মিসফিল্ড করছিলাম, তাতে ২০০ না করাতে খুবই আশ্চর্য হয়েছি। তবে স্কোর যখন ১৮০-এর মধ্যে ছিল, তখন মনে হয়েছে জিততে পারবো।’
শেষ ৪ ওভারে কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ৫২ রান। কঠিন সেই লক্ষ্য, তবু আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরেনি সালাউদ্দিনের, ‘আমরা জানি যে (জনসন) চার্লস আছে, মঈন আলী আছে, (আন্দ্রে) রাসেল আছে, তাদের বোলিং অপশনও শেষ হয়ে গেছে। তখন তাদের আর কিছু করার নেই। এক (লুক) উডের একটা ওভারে ৬-৭ বের করতে পারলেও বাকি ওভারগুলোতে ৫০ রান করতে পারবো, এই বিশ্বাস ছিল।’