বাংলাদেশের কঠিন কন্ডিশনে নিজেদের বাজিয়ে দেখতে চায় ইংল্যান্ড

আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। উপমহাদেশের কন্ডিশনে বাইরের দলগুলোকে বরাবরই কঠিন সংগ্রামে লিপ্ত হতে হয়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বাংলাদেশের কঠিন কন্ডিশনে নিজেদের বাজিয়ে দেখতে চায় ইংল্যান্ড। রবিবার অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেই কথাই জানিয়ে গেছেন ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার।

ইংল্যান্ড ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল সফরকারীরা। এবারও সেই লক্ষ্য নিয়ে তারা বাংলাদেশে এসেছে। তবে বিশ্বকাপের আগে এখানকার কন্ডিশনে নিজেদের অবস্থান যাচাই করাই মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন বাটলার। এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘আমাদের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এখানে বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে চেনা কন্ডিশনে খুব কঠিন প্রতিপক্ষ, তাদের হারানো খুব কঠিন। তারা কিছু দিন আগেই ভারতকে হারিয়েছে। এই চ্যালেঞ্জটা আমাদের প্রয়োজন। কারণ বিশ্বকাপের আর খুব বেশি দিন বাকি নেই। প্রায় একই কন্ডিশনে যেটা আমাদের জন্য কঠিন, সেখানে নিজেদের বাজিয়ে দেখা, দল হিসেবে আমাদের অবস্থান কোথায় তা দেখার সুযোগ পাচ্ছি। আমরা এটাই চাই এমন চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনে নিজেদের পরখ করতে। যা সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ভালো সুযোগ।’

বাংলাদেশের এই সফর দিয়েই ইংল্যান্ডের ‘আসল’ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে। বাটলার জানিয়েছেন, সিরিজটি ঘিরে তারা ভীষণ রোমাঞ্চিত, ‘সব প্রস্তুতি ওই বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করেই। কন্ডিশনটাও খুব কাছাকাছি। এই ম্যাচগুলো খেলবো, তারপর সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত আর খেলা নেই। তো আমাদের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ। সিরিজের জন্য বেশ রোমাঞ্চিত।’

২০১৬ সালে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল দুই দল। ইংল্যান্ড প্রথম ম্যাচ জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। চট্টগ্রামে শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এবার অবশ্য পুরনো পরিসংখ্যান আমলে নিচ্ছেন না ইংল্যান্ড অধিনায়ক, ‘অনেক দিন আগের ঘটনা। বাংলাদেশের নিজেদের মাঠে রেকর্ডটা বেশ ভালো। আমাদের দলেও ভালো খেলোয়াড় আছে যারা এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে আছে। আমাদের অনেক খেলোয়াড় আছে যাদের উপমহাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। অনেকের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তো আমরা জানি এখানে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।’

তার পরেও বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ চান তিনি। তার কথা, ‘দুই দল যখন খেলে, দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। আশা করছি, এবারও তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজই হবে।’