বিপিএলে যে লাইনে ছিলেন, সেই একই লাইনে থেকে সুবাস ছড়াচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ফাইনালে তুলে সেই ম্যাচে করেছিলেন হাফ সেঞ্চুরি। তার দল হারলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে চমৎকার দুটি ফিফটি। মাঠের পারফরম্যান্সের কারণে সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে সমালোচিত ক্রিকেটার তিনি, তার ব্যাটেই দেখা মিললো আরেকটি ঝকঝকে ইনিংস।
বিপিএলে ১৫ ম্যাচে চার ফিফটিতে ৫১৬ রান করে ছিলেন প্রতিযোগিতার শীর্ষ ব্যাটসম্যান। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে করেন হাফ সেঞ্চুরি, যা ছিল গুনে গুনে ১৬ ম্যাচ পর। ইংলিশদের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচেও পঞ্চাশে রাঙান। ২৪ বছর বয়সী টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান টি-টোয়েন্টিতে খেললেন ম্যাচসেরা ইনিংস। ৩০ বলে ৮ চারে করেন ৫১ রান।
২৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন শান্ত। বিশেষ করে মার্ক উডের ওভারে টানা চারটি চার মারা ছিল তার এই ইনিংসের হাইলাইটস। এমন ঝড়ে তিনি বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন। ক্রিকেটের ছোট সংস্করণে এটি ছিল তার তৃতীয় ফিফটি। চার আন্তর্জাতিক ম্যাচে তিন হাফ সেঞ্চুরি। সমালোচকদের জবাব দিলেন ব্যাট হাতে।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বললেন, ‘আমি শুধু বল দেখেছি এবং ক্রিকেটের শট খেলেছি। টি-টোয়েন্টিতে আসলে ভালো শুরু করাটা গুরুত্বপূর্ণ।’ এই ম্যাচ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও সরব শান্ত। দলকে জেতানোর পর সালাম দিলেন সবাইকে, হাফ সেঞ্চুরি উদযাপনের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা, ‘আসসালামু আলাইকুম।’