রেকর্ডবুক ওলট পালট করে আয়ারল্যান্ড সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং- তিন বিভাগে আধিপত্য বিস্তার করে তামিম ইকবালের দল আইরিশদের উড়িয়ে দিয়েছে। অনেক রেকর্ডের একটি দেশের হয়ে মুশফিকুর রহিমের দ্রুততম সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ছয় নম্বরে নেমে ৬০ বলে সেঞ্চুরি করেছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। সবমিলিয়ে ১৪৪ রান ও ৬ ক্যাচে সিরিজ সেরাও হয়েছেন তিনি। অথচ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে মুশফিকের দলে থাকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। এত সমালোচনার মাঝেও আয়ারল্যান্ড সিরিজে ব্যাটিং পজিশন পিছিয়ে সাফল্যের চূড়ায় অবস্থান করছেন তিনি।
৬ বছর পর ৬ নম্বর ব্যাটিং পজিশন পেয়ে প্রথম ম্যাচে ২৬ বলে করেছেন ৪৪। পর দ্বিতীয় ম্যাচে তো ৬০ বলে তুলে নেন বিস্ফোরক সেঞ্চুরি। তৃতীয় ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ড রান কম করাতে ব্যাটিং করতে হয়নি। তার পরেও দুই ওয়ানডেতে ১৪৪ রান করে তিনিই ছিলেন সেরা খেলোয়াড়। তাতে ২৪৫ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৬ বারের মতো সিরিজ সেরা হয়েছেন। সবশেষ ২০২১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক সেঞ্চুরিতে ২৩৭ রান করে সিরিজ সেরা হয়েছিলেন।
বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সাতবার সিরিজ সেরা হয়েছেন সাকিব আল হাসান। মুশফিকের সমান ৬বার সিরিজ সেরা হয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবালও।
সিলেটে বৃহস্পতিবার আইরিশদের ১০ উইকেটে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মুশফিক বলেছেন, ‘আরও একটি সিরিজ, প্রত্যেকে খুব ভালো খেলেছে, যেটা সেরা ছিল। প্রথম দুই ম্যাচে কন্ডিশন খুবই ভালো ছিল, টপ অর্ডার ভালো খেলেছে এবং মঞ্চ তৈরি করেছে যেখানে নিজেদের মেলে ধরতে পেরেছি। যখন আপনি একজন অলরাউন্ডার, আপনাকে ব্যাট এবং গ্লাভস দুই ভূমিকাতেই ভালো করতে হয়। সেটা করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’