রান করা যেন ভুলেই যাচ্ছিলেন সৌম্য সরকার। মোহামেডানের জার্সিতে ছয় ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ রান ছিল ৪১। বুধবার অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে সপ্তম ম্যাচ খেলতে নেমে ৫৬ রান করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটার।
সৌম্যর রানে ফেরার দিনে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৩৯ রানে হারিয়ে মোহামেডান টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে। সপ্তম রাউন্ড শেষে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ৮ নম্বরে উঠে এসেছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান করে মোহামেডান। ২২১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে তরুণ পেসার মুশফিক হাসান ও নাজমুল ইসলাম অপুর স্পিনে বিপাকে পড়ে অগ্রণী ব্যাংক। প্রথম ওভারেই পরপর অপু ফেরান দুজনকে। ৩৫ রানে টপ অর্ডারের চার ব্যাটারদের হারিয়ে শুরুতেই ধাক্কা খায় তারা। সেখান থেকে জয়ের পথ তৈরি করতে পারেনি দলটি। তবে শামসুল ইসলাম অনিকের ৪৬, আজিম নাজির কাজীর ৩৮ রানে ভর করে ৪৮.২ ওভারে ১৮১ রান তুলে অলআউট হয় অগ্রণী ব্যাংক।
মোহামেডানের হয়ে ২৩ রানে তিনটি উইকেট নেন পেসার মুশফিক হাসান। বাঁহাতি স্পিনার অপু ৩৪ রানে নেন তিনটি উইকেট, ম্যাচসেরাও তিনি। জ্যাক লিনটট ও শুভাগত হোম দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডানের। মাত্র ১ রানে অধিনায়ক ইমরুল কায়েস বিদায় নেন। রনি তালুকদারও ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি। তবে সৌম্য ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন মিলে ৩৮ রানের জুটি গড়েন। উইকেটকিপার ব্যাটার অঙ্কন ২২ রান করে আউট হন। সৌম্য ছাড়া কোনও ব্যাটারই ইনিংসটাকে লম্বা করতে পারেননি। ৯১ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় সৌম্য ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ (২৩), শুভাগত হোম (২৯), আরিফুল হক (২৪) ও জ্যাক লিনটট (২৫) ছোটখাটে অবদান রাখেন।
অগ্রণী ব্যাংকের হয়ে আরাফাত সানি সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া আবু হায়দার রনি ও এনামুল হক নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। সাইফউল্লাহ নেন একটি উইকেট।