মোহামেডানের জার্সিতে ব্যাট হাতে ভালো করতে পারছেন না সাকিব আল হাসান। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে চার ম্যাচে ৩৭ রানই তার সর্বোচ্চ। শুক্রবারও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ৩০ রান করেছেন। তবে সাকিব-মাহমুদউল্লাহ ব্যর্থ হলেও তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের অপরাজিত সেঞ্চুরি ম্যাচ জেতাতে অবদান রেখেছে।
শাইনপুকুরকে প্রথমে ২৭৭ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। সেই রান শাইনপুকুর টপকাতে পারেনি। গুটিয়ে যায় ২২৪ রানে। তাতে ৫২ রানের জয়ে সুপার লিগ নিশ্চিত হয়ে গেছে মোহামেডানের।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ২৭৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি শাইনপুকুরের টপ অর্ডার। ১১৩ রানে টপ অর্ডারের ৫ ব্যাটারকে হারানোর পর ২৭৭ রান ছোঁয়াটা বেশ কঠিনই হয়ে পড়ে। খালিদ হাসান ও শুভহাম শর্মার জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত ৪৩.২ ওভারে ২২৪ রানে থেমেছে শাইনপুকুরের ইনিংস। শর্মার ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৭০ বলে ৬৬ রানের ইনিংস। খালিদ ৫৭ বলে করেছেন ৫৬ রান।
মোহামেডানের বোলারদের মধ্যে নাজমুল অপু ৪১ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন। মুশফিক হাসান ও জ্যাক লিন্টট নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। মিরাজ ও সাকিব নিয়েছেন একটি।
প্রথমে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ওপেনার আব্দুল মজিদ (২) রানে বিদায় নিয়েছেন। দ্বিতীয় উইকেটে ইমরুল কায়েস ও আব্দুল মজিদ মিলে যোগ করেছেন ৯৭ রান। ইমরুল ৬৯ রানে আউট হলে সাকিবকে নিয়ে ৫৪ রানের জুটি গড়েন অঙ্কন। সাকিবের প্রতিরোধ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ২৫ বলে ৩০ রান করে আউট হয়েছেন। তার পর ১০ রানের মধ্যে মাহমুদউল্লাহ (০) ও মিরাজ (২) কে হারালে কিছুটা চাপেই পড়ে যায় তারা।
তখন প্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস সমৃদ্ধ করতে অবদান রাখেন অঙ্কন। তুলে নেন সেঞ্চুরি। সাজ্জাদুল হক রিপনের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ১১২ বলে দেখা পান সেঞ্চুরির। শেষ পর্যন্ত ১২৫ বলে অপরাজিত ছিলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। ১২৫ বলে ৬ চার ও ৭ ছক্কায় অঙ্কন নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন। শেষ দিকে আরিফুল ইসলামের ২৯ বলে ২৬ এবং আরিফুল হকের ১১ বলে ১২ রানের ইনিংস স্কোরটাকে ৬ উইকেটে ২৭৬ রান পর্যন্ত নিয়েছে।
শাইনপুকুরের বোলারদের হয়ে মেহেদী হাসান রানা ও মাসুম খান টুটুল দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। নাবিল সামাদ ও হাসান মুরাদ নিয়েছেন একটি করে উইকেট।