ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে দলগুলোর মধ্যে বরাবরই অসন্তুষ্ট থাকে। চলমান ঢাকা লিগেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। এইসব কিছু নিয়েই শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বৈঠকে বসেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আম্পায়ার্স কমিটি। বৈঠক শেষে কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ মিঠু সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন। আম্পায়ারদের উন্নতির জন্য নানামুখী পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নতুন আম্পায়ার নিয়োগ দেওয়ার চিন্তা ভাবনাও করছে তারা।
বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে মিঠু বলেছেন, ‘আমরা পরিকল্পনা করেছি, নতুন আম্পায়ারের জন্য কয়েকদিন পর বিজ্ঞপ্তি দেবো। তখন যারা ছেলে-মেয়ে দুই পক্ষ থেকে আগ্রহী, তারা আসবে। এটা কিন্তু একটা প্রক্রিয়া। আমাদের নতুন আম্পায়ার আনতে হবে, ওই পরিকল্পনাই যাচ্ছে। হায়ার ট্রেনিং এইড কী আনা যায় এটাও আমরা চেষ্টা করছি। ’
বিসিবির ওয়েবসাইটে নতুন আম্পায়ার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মিঠু, ‘আমরা চাইবো (নতুন আম্পায়ার)। প্রতি বছরই চাই। আমাদের ওয়েবসাইটে দেখবেন। এটা তো এমন না যে কাগজে বিজ্ঞপ্তি দেবো। আমাদের ওয়েবসাইটে দেবো। আমাদের একটা মিনিমাম রিক্রুটমেন্ট যাবে। এরপর যারা যারা আসবে আস্তে আস্তে উঠবে।’
মাঠে ক্রিকেটারদের সাথে আম্পায়ারদের রীতিমতো যুদ্ধ হচ্ছে। যদিও আম্পায়ারদের পক্ষেই কথা বললেন কমিটির চেয়ারম্যান। তার মতে ক্রিকেটাররাই বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন, ‘খেলোয়ড়রাও কিন্তু রিয়্যাক্টটা বেশি করছে। যেটা নর্মসের বাইরে। সিসিডিএমের সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের আচরণবিধির কিছু নিয়ম সংযোজন করতে হবে। প্লেয়ারদেরও ঠাণ্ডা হতে হবে। এরকম রিয়্যাকশন আপনি করতে পারেন না মাঠে। ভুল করছে আম্পায়ার...। আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারে, এসব ইচ্ছেকৃত সিদ্ধান্ত না।’
মিঠু আরও যোগ করে বলেছেন, ‘আমরাও যখন খেলতাম প্রেশার ট্যাকটিকস ব্যবহার করতাম। এটা কিন্তু প্লেয়াররা করবেই। কিন্তু তখনকার নিয়ম ও এখনকার নিয়মে আকাশ পাতাল বদলেছে। আপনি অসন্তোষ প্রকাশ করলেই ফাইন। আমাদেরও আস্তে আস্তে ওই লেভেলে যাচ্ছে। যেরকম দেখেন, মিরাজের ঘটনাতেও সর্বোচ্চ জরিমানা করা হয়েছে।’