ঢাকা লেপার্ডসের পর প্রথম বিভাগে নামলো অগ্রণী ব্যাংক

প্রথম বিভাগ থেকে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে সুযোগ পেয়েছিল অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ও ঢাকা লেপার্ডস। কিন্তু টিকে থাকতে পারলো না দুটো দলের কেউই। রেলিগেশন লিগ শুরুর আগেই লেপার্ডসের বাদ পড়াটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। তবে সুযোগ ছিল অগ্রণী ব্যাংকের। রবিবার শাইনপুকুরকে হারাতে পারলেই টিকে যেতো দলটি। কিন্তু এদিন ১৪০ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বাদ পড়তে হলো তাদেরকে।

১৩ ম্যাচে অগ্রণী ব্যাংকের পয়েন্ট ছিল ৮। রবিবার জিতে শাইনপুকুরের পয়েন্টও সমান ৮। কিন্তু মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায় ঢাকা লিগের আগামী আসরের জন্য টিকে গেছে তারা। অন্যদিকে ১৩ ম্যাচে একটি জয় আর একটি ড্র নিয়ে মাত্র ৩ পয়েন্ট লেপার্ডসের। স্বাভাবিকভাবেই অগ্রণী ব্যাংকের সঙ্গে লেপার্ডসকেও বাদ পড়তে হয়েছে।

বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে আগে ব্যাটিং করে অগ্রণী ব্যাংককে ৩১৭ রানের লক্ষ্য দেয় শাইনপুকুর। জবাবে খেলতে নেমে নাঈম আহমেদ ও হাসান মুরাদের বোলিং তোপে পড়ে অগ্রণী ব্যাংক। দলটির কোনও ব্যাটারই চাহিদা মেটানোর মতো বড় স্কোরের দেখা পাননি। সর্বোচ্চ ৫২ রান আসে জহুরুল ইসলাম অমির ব্যাট থেকে। এছাড়া সাদমান ইসলাম ৩৬ ও মার্শাল আইয়ুবের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। শক্ত প্রতিরোধের অভাবে ৪২.৪ ওভারে ১৭৬ রানে অলআউট হয় অগ্রণী ব্যাংক। 

শাইনপুকুরের বোলারদের মধ্যে নাঈম ৪৫ রানে নেন পাঁচ উইকেট। এছাড়া হাসান ১৯ রান খরচায় পান চারটি উইকেট। 

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অমিত হাসানের সেঞ্চুরি ও খালিদ হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ৩১৬ রান করে শাইনপুকুর। ওপেনার অমিত ১৩৩ বলে ১০ চারে ১১৫ রানের ইনিংস খেলেন। ওপেনিং জুটির ৭৫ রানেই মূলত বড় সংগ্রহের ভিত তৈরি হয়। খালিদ ৬১ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারায় তারা।

অগ্রণী ব্যাংকের পেসার এনামুল হক সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া জাহিদ জাবেদ, ইলিয়াস সানি ও আরাফাত সানি একটি করে উইকেট শিকার করেন।