পেসারদের দাপট দেখা গেলো গুজরাট টাইটান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচে। ১৭ উইকেট গেছে পেসারদের পকেটে, যা আইপিএলের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ। প্রথম ইনিংসে ভুবনেশ্বর কুমার ঝলক দেখান, পরেরটায় মোহিত শর্মা ও মোহাম্মদ শামি। তবে শুভমান গিল সেঞ্চুরি করে গড়ে দেন পার্থক্য। তার ব্যাটে ১৮৯ রানের লক্ষ্য দেওয়ার পর মোহিত, শামির আগুন বোলিংয়ে জিতেছে গুজরাট।
৩৪ রানের এই জয়ে সবার আগে আইপিএলে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে গুজরাট। তাছাড়া শীর্ষ দুইয়ে থাকাও নিশ্চিত তাদের। আর বিদায় নিয়েছে হায়দরাবাদ।
১৮৮ রানের জবাবে ৭ ওভারের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে হায়দরাবাদ। ওখানেই ম্যাচ শেষ, বাকি ছিল গুজরাটের জয়ের আনুষ্ঠানিকতা। কিন্তু ৫৯ রানে ৭ ব্যাটার ফিরে যাওয়ার পর হেনরিখ ক্লাসেন ও ভুবনেশ্বরের ৬৮ রানের জুটি অপেক্ষা বাড়ায়।
ক্লাসেন ৪৪ বলে ৬৪ রানে আউট হন। ভুবনেশ্বর থামেন ২৬ বলে ২৭ রান করে। ৯ উইকেটে ১৫৪ রান করে হায়দরাবাদ।
মোহিত ও শামি ৪টি করে উইকেট নেন।
আহমেদাবাদে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রানের খাতা না খুলতেই গুজরাটের ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা আউট। এরপর সাই সুদর্শন ও গিলের অনবদ্য জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে ১৪৭ রান যোগ করেন তারা, তারপরই ধস।
মার্কো জানসেনের কাছে ৪৭ রানে থামেন সুদর্শন। তারপর এলোমেলো তাদের ব্যাটিং লাইনআপ। বোলিংয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন হায়দরাবাদের। শেষ ছয় ওভারে মাত্র ৪১ রান দিয়ে ৮ উইকেট তুলে নেয় তারা। তাতে গুজরাটের ২০০ রানের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার।
যদিও এই বিপর্যয়ের মাঝে গিল তার প্রথম আইপিএল সেঞ্চুরি করে ফেলেন ৫৬ বলে ১৩ চার ও ১ ছয়ে। আর দুই বল খেলে বিদায় নেন তিনি। ৫৮ বলে ১০১ রান করেন গিল।
বল হাতে ভুবনেশ্বর ছিলেন অবিশ্বাস্য। শেষ ওভারে দলের চার উইকেটের মধ্যে তিনটি গেছে তার পকেটে। এর আগে নেন আরও দুই উইকেট। ভারতীয় পেসার ৪ ওভারে ৩০ রান খরচায় নেন ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে এটি ভুবনেশ্বরের তৃতীয় ফাইফার।
ডেথ ওভারে ব্যাটিং বিপর্যয়ে প্রত্যাশিত দুইশ রান ছুঁতে পারেনি গুজরাট। থামে ৯ উইকেটে ১৮৮ রানে। তবে সেই রানই যথেষ্ট ছিল, বলছে ম্যাচের ফল। প্রত্যাশিতভাবে ম্যাচসেরা গিল।
১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে গুজরাট। এক ম্যাচ কম খেলে ৮ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নিলো হায়দরাবাদ।