সাইফ-আফিফের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পরও ফলোঅনে বাংলাদেশ

৬ উইকেট ৪১৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দল। এদিন আর ৩.৩ ওভার ব্যাটিং করে ১২৬.৩ ওভারে ৭ উইকেটে ৪২৭ রান নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করেছে সফরকারীরা। তার পর আফিফ-সাইফ আগ্রাসী ব্যাটিং করলেও ফলোঅন এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর শেষ বিকালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করছে। বিনা উইকেটে ৫ রান তুলে দিন শেষ করেছে স্বাগতিক দল।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তিন দিনই দাপট দেখিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দল। আগে ব্যাটিং বাংলাদেশের বোলারদের পাড়ার বোলার বানিয়ে রানের পাহাড় গড়েছে তারা। ক্যারিবীয়দের ৪২৭ রানের জবাবে ম্যাকআলিস্টারের বোলিংয়ে কাবু হয়ে যায় আফিফ হোসেনের দল। ৬৭.৪ ওভারে তারা ২৬৪ রানে অলআউট হয়েছে।  শেষ বিকালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ ওভার খেলার সুযোগ পেয়েছে স্বাগতিক দল। ১৫৮ রানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশকে হার এড়াতে শুক্রবার শেষ দিনে পুরো দিনই ক্রিজ আঁকড়ে পড়ে থাকতে হবে।

৬৮ রানে তিন উইকেট হারানোর পর সাইফ হাসান ও আফিফ হোসেন মিলে দ্রুত রান তুলেছেন। তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জুটি হয় ১০১ রানের। তাতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। কিন্তু আফিফ ৪১ বলে ৪৫ রানে আউট হলে ফের বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক দল। তখনো আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন সাইফ। কিন্তু সেঞ্চুরি থেকে ৫ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ৭১ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় সাইফ খেলেন ৯৫ রানের ইনিংস। 

১৮৪ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর জাকের আলী অনিক টেল অ্যান্ডারদের নিয়ে একাই লড়াই করে গেছেন। কিন্তু অপরপ্রান্তের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ৬৪ রানে অপরাজিত থাকতে হয় তাকে। ১২৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজিয়েছেন অনিক। এছাড়া জাকির হাসান খেলেছেন ৩০ রানের ইনিংস। এর বাইরে কেউই দুই অঙ্কের ঘরে কেউেই পৌঁছাতে পারেননি।

ক্যারিবীয় পেসার ম্যাকআলিস্টার ৬০ রানে শিকার করেন ৫টি উইকেট। এছাড়া রেমন রেইফার ও আকিম জর্ডান নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে কার্ক ম্যাকেঞ্জির ৮৬, অ্যালিক অ্যাথানেজের ৮৫, ত্যাগনারায়ণ চন্দরপলের ৮৩ এবং জশুয়া ডা সিলভার ৭৭ রানে ভর করেই ক্যারিবীয় ‘এ’ দল বড় সংগ্রহ পেয়েছে।