মঞ্চ মাতালেন নিগার

দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক ও ক্রীড়া লেখকদের সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) ২০২২ সালের সেরা ক্রীড়াবিদদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছে আজ। রবিবার ঢাকার পাঁচ তারকা এক হোটেলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের সম্মাননা জানানো হয়। সেই মঞ্চেই গায়কী প্রতিভায় নিজেকে ভিন্নভাবে তুলে ধরেছিলেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তাতে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

নিগার এমনিতে টুকটাক গান আগেও গেয়েছেন। সতীর্থ কিংবা পারিবারিক আড্ডাতেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। এবার প্রথমবারের মতো বড় মঞ্চে গাইলেন। শুধু গাইলেনই না, উপস্থিত শ্রোতাদের মুগ্ধ করলেন নারী দলের সেরা এই ব্যাটার। গান শেষে বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদক প্রশংসা করতে গেলে বিস্মিত হন তিনি, ‘সত্যিই ভাইয়া, আমি পুরোটা সময় ভয়ে কাঁপছিলাম। এভাবে তো কখনও গাইনি, এই কারণে অস্বস্তিও লাগছিল। আপনাদের ভালো লাগলে নিশ্চয়ই ভালো হয়েছে।’

অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গান গাওয়ার অনুভূতি জানান নিগার, ‘হ্যাঁ গানটা অবশ্যই মজার একটা বিষয় ছিল। ছোটবেলা থেকে আমার আব্বু-আম্মু গান গাওয়া শিখিয়েছেন। বেসিক্যালি ক্রিকেটে ঢোকার পর সেভাবে চর্চাটা হয়নি। কিন্তু গত বছরও একটা প্রোগ্রাম ছিল ফাহিম স্যারের সঙ্গে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটের জন্য গানটা গাইতে পারিনি। তবে এবার আয়োজকরা অনেক জোর করে ধরলেন, গাইতেই হবে। তো চেষ্টা করেছি ভালো করে গাওয়ার জন্য।’

বাংলাদেশের অধিনায়ক আরও বলেছেন, ‘আসলে ফেসবুকে গান গাইতাম টুকটাক দুই একটা লাইন। তবে এবার পুরোটা গাইতে পেরেছি। আমি জানি না সবার কেমন লেগেছে, কিন্তু চেষ্টা করেছি নিজের সেরাটা দেওয়ার।’

গানের কথা ছিল- এই মন তোমাকে দিলাম। নিগার এখনও কাউকে মন দিয়েছেন কিনা সেটি নিশ্চিত নয়, তবে সংবাদমাধ্যমকে এটুকু নিশ্চিত করেছেন, এই মুহূর্তে নিগারের মনজুড়ে কেবল ক্রিকেট, ‘এটা ক্রিকেটের উদ্দেশে, আমার ফ্যানদের সবাইকে মন দিলাম (হাসি)। বেসিক্যালি গানটা অনেক সুন্দর, হয়তো বা আমার কণ্ঠের সঙ্গে গিয়েছে। এ জন্য গানটা বেছে নেওয়া। আর এই গানটা সবাই গাইতে পারে, গুনগুন করে বাসায়। তো এ জন্যই বেছে নেওয়া, এটা কমন গান।’

নিগার সুলতানা বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন। অনুভূতি জানতে চাইলে বলেন, ‘এই প্রথম পুরস্কারটা পেয়েছি। আমি মনে করি এই পুরস্কার প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ের জন্য বড় অর্জন। আর বিএসপিএকে ধন্যবাদ আমাকে মনোনীত করার জন্য।’