সুদর্শন ঝড়ে গুজরাটের ২১৪ রান

আগের চার ইনিংসে তিন সেঞ্চুরি করা শুবমান গিল জ্বলে উঠলেও তার ব্যাটে বড় রান আসেনি। তবে সাই সুদর্শন ঝলক দেখান। তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে আইপিএল ফাইনালে ২১৪ রান করেছে গুজরাট টাইটান্স। চেন্নাই সুপার কিংস কেবল চার উইকেট নিতে পেরেছে। 

শুরুটা হয়েছিল ধীরে। প্রথম দুই ওভারে কোনও বাউন্ডারি নেই, রান ৮। তৃতীয় ওভারেই ঝড় ওঠে। দীপক চাহারকে একটি ছয় ও দুটি চার মারেন ঋদ্ধিমান সাহা। পরের ওভারে শুভমান গিল টানা তিনটি চার হাঁকান তুষার দেশপান্ডেকে। ষষ্ঠ ওভারে মাহিশ ঠিকশানাও সুবিধা করতে পারেননি, টানা তিনটি বাউন্ডারি আসে গিলের ব্যাটে।

প্রথম ছয় ওভারে গুজরাটের রান বিনা উইকেটে ৬২, আইপিএল ইতিহাসে ফাইনালে পাওয়ার প্লেতে যা রেকর্ড। এর আগের রেকর্ডটি ছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। ২০১৫ সালে চেন্নাই ও ২০২০ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ফাইনালে ৬১ রান করেছিল তারা এবং দুইবারই জেতে।

পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর রবীন্দ্র জাদেজা বোলিংয়ে আসেন। শেষ বলে গিলকে থামান তিনি। দারুণ কিপিংয়ে তাকে স্টাম্পিং করেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, ২৫০তম আইপিএল ম্যাচে ৩০০ টি-টোয়েন্টি ডিসমিসালের মালিক চেন্নাইয়ের অধিনায়ক।

২০ বলে ৭ চারে গিল ৩৯ রানে ফিরে যান। ৬৭ রানের জুটি ভাঙার পর ঋদ্ধিমান ও সাই সুদর্শন দেখেশুনে খেলতে থাকেন। ১০ ওভারে ১ উইকেটে গুজরাটের রান ৮৬। ১৩তম ওভারে বাউন্ডারি মেরে ৩৬ বলে ফিফটি করেন ঋদ্ধিমান। তাকে থামতে হয় পরের ওভারে। চাহারের বলে ধোনিকে ক্যাচ দেন। ৩৯ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৫৪ রান করেন গুজরাটের ওপেনার, ভাঙে ৬৪ রানের জুটি।

পরের ওভারে সুদর্শন দুটি ছক্কা মারেন ঠিকশানাকে। মাঠিশা পাথিরানার পরের ওভারে আরও দুটি বাউন্ডারি। ৩৩ বলে তিনটি করে চার-ছয়ে ফিফটি করেন ২১ বছর বয়সী ব্যাটার। ১৭তম ওভারে তার তিন চার ও এক ছয়ে ২০ রান দেন তুষার। 

চেন্নাইয়ের পেসার তার পরের ওভারে ১৮ রান দেন, দুটি ছক্কা মারেন হার্দিক পান্ডিয়া, একটি চার সুদর্শনের।

শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরির কাছে ছিলেন সুদর্শন। কিন্তু পাথিরানার ইয়র্কারে এলবিডব্লিউ হন। ৪৭ বলে ৮ চার ও ৬ ছয়ে ৯৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সুদর্শন। ফাইনালে কোনও আনক্যাপড খেলোয়াড়ের এটাই সর্বোচ্চ রান। শেষ বলে রশিদ খান ক্যাচ দেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে।