চলতি বছর অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ভারতে ভালো কিছু করতে হলে সেরা বোলিং আক্রমণ নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির বিষয়টি হচ্ছে এই মুহূর্তে পেসাররা দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। তবে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে ব্যাটারদের সামলাতে পেসারদের পাশাপাশি স্পিনারদের ভালো করার বিকল্প নেই। এখন পেস আর স্পিন মিলিয়ে একটা সমন্বয়ের জায়গা খুঁজছেন বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথ।
গত কয়েক দিন ধরেই তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও শেখ মেহেদী হাসানসহ বেশ কয়েকজন স্পিনারদের নিয়ে ভেরিয়েশন ক্যাম্প করছেন হেরাথ। চলমান ক্যাম্পটা আফগানিস্তান সিরিজকে কেন্দ্র করে হলেও হেরাথের মূল ফোকাস ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে। কারণ, ভারতের কন্ডিশনে খানিকটা সুবিধা থাকে ব্যাটারদের। সেখানে নিখুঁত বোলিং না হলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন। তাই সব দিক মাথায় রেখেই বাংলাদেশের স্পিনারদের প্রস্তুত করছেন স্পিন বোলিং কোচ।
মঙ্গলবার মিরপুরের ক্যাম্প নিয়ে হেরাথ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি সব সময়ই ভাবি কন্ডিশন যখন স্পিনারদের জন্য কঠিন হবে, তখন চ্যালেঞ্জ কাজ করবে। এজন্যই বিশ্বকাপের আগে আমরা প্রস্তুত হচ্ছি। যদি উইকেট থেকে সহায়তা না পাই, বৈচিত্র্যের দিকে চেষ্টা করতে হবে; যেটা আমাদের প্রয়োগ করতে হবে।’
পেসারদের ভালো করা স্পিনারদের জন্য স্বস্তির কিনা এমন প্রশ্নে হেরাথ বলেছেন, ‘এখানে ইউনিট না, দল আসল ব্যাপার। কেউ ভালো করলে আমরা সবাই খুশি হই, খারাপ করলে সবাই মিলেই সমাধানের পথ খুঁজি। আমরা একটা দল। পেসার ও স্পিনার মিলিয়ে প্রপার ইউনিট থাকলে সেরা কম্বিনেশন তৈরি করা যায়, আমরা সেই চেষ্টাই করছি।’
শুধু বিশেষজ্ঞ স্পিনারই নয়, ব্যাটারদের মধ্যে যারা টুকটাক বোলিং করতে পারেন তাদেরকে নিয়েও হেরাথ কাজ করছেন। উদাহরণ হিসেবে আয়ারল্যান্ড সফরের কথাই বলা যেতে পারে। শেষ ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাটার নাজমুল হোসেন বোলিং করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দলের স্বার্থে অনিয়িমিত বোলারদের আরও সম্পৃক্ত করতে চান হেরাথ, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি ব্যাটাররা কয়েক ওভার বল করে দেয় যেমন শান্ত, এটা বোলিংয়ে অনেক বিকল্প তৈরি করবে। যখন অনেক বিকল্প থাকবে তখন ঠিক সমন্বয় মিলবে। আমি সব সময় হৃদয়, শান্তদের বোলিংয়ে দেখতে পছন্দ করবো।’