২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দুই বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে বাদ পড়েন। তারপর থেকে একদিনের ক্রিকেটে আর দেখা যায়নি দিমুথ করুণারত্নেকে। আসন্ন বিশ্বকাপ সামনে রেখে অভিজ্ঞ এই ব্যাটারকে আবারও ফেরানো হলো। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি।
২০২১ সালের মার্চে শেষবার ৫০ ওভারের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন করুণারত্নে। দুই বছরেরও বেশি সময় পর অভিজ্ঞতার কারণেই আবার প্রত্যাবর্তন হলো তার। আগামী জুনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অংশ নেওয়ার আগে তাকে সুযোগ দিলো শ্রীলঙ্কা।
নিউ জিল্যান্ডে ওপেনিং করা নুয়ানিন্দু ফার্নান্দোকে রাখা হয়নি। পাথুম নিসাঙ্কার সঙ্গে ওপেনিং করতে পারেন করুণারত্নে।
২ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ওয়ানডের সিরিজের জন্য ফেরানো হয়েছে ফাস্ট বোলার দুষ্মন্ত চামিরাকে। গত বছর অক্টোবরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুর দিকে চোট পান। গোড়ালির অস্ত্রোপচারের কারণে গত বছর নিউ জিল্যান্ড সফরেও ছিলেন না তিনি।
১৬ জনের এই দলে একমাত্র আনক্যাপড খেলোয়াড় লেগস্পিনিং অলরাউন্ডার দুশান হেমন্ত। এই বছর শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক লিস্ট এ টুর্নামেন্ট ন্যাশনাল সুপার লিগে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি। কিন্তু আট ম্যাচে ২৩.৬১ গড়ে ১৩ উইকেট নিয়ে জাতীয় দলে ডাক পেলেন তিনি। পায়ের ইনজুরিতে পুনর্বাসনে থাকা ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে এই ২৯ বছর বয়সী বোলারকে। দলে আরেক স্পিনার মাহিশ ঠিকশানা।
বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার দুনিথ ভেল্লালাগের জায়গা হয়নি। হ্যামস্ট্রিং চোটে বাদ পড়েছেন উইকেটকিপার কুশল পেরেরাও। উইকেটের পেছনে গ্লাভস পরবেন কুশল মেন্ডিস।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট শতক হাঁকানো সাদিরা সামারাবিক্রমা ২০১৯ সালের পর প্রথম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায়।
প্রতিটি ম্যাচই হবে হাম্বানটোটায়। আফগানিস্তানের জন্য এই সিরিজ বিশ্বকাপ প্রস্তুতির। তারা এরই মধ্যে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। আর শ্রীলঙ্কাকে ১৮ জুন থেকে খেলতে হবে বাছাই। তার আগে এই সিরিজ তাদের জন্য প্রস্তুত হওয়ার লড়াই।
শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে স্কোয়াড: দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস (উইকেটকিপার), পাথুম নিসাঙ্কা, দিমুথ করুণারত্নে, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, চারিথ আসালাঙ্কা, সাদিরা সামারাবিক্রমা, চামিকা করুণারত্নে, দুশান হেমন্ত, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, লাহিরু কুমারা, দুষ্মন্ত চামিরা, কাসুন রাজিথা, মাথিশা পাথিরানা, মাহিশ ঠিকশানা।