বিশ্বটেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের প্রথম দিনই আধিপত্য বিস্তার করেছে অস্ট্রেলিয়া। ট্রাভিস হেডের চমৎকার সেঞ্চুরিতে ভারতকে কোণঠাসা করে রেখেছে। দিন শেষে দ্য ওভালে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে প্যাট কামিন্সদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩২৭।
অ্যাশেজের আগে নিজের ব্যাটিং প্রদর্শনীটা ভালোভাবে করে রাখলেন বামহাতি ব্যাটার হেড। ১৫৬ বলে ২২টি চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত আছেন ১৪৬ রানে। এটি আবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রথম সেঞ্চুরির কীর্তি। তাছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বাইরে হেডের প্রথম সেঞ্চুরিও। চতুর্থ উইকেটে স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ২৫১ রানে জুটি গড়েছেন তিনি। স্মিথ ৯৫ রানে ৩১তম সেঞ্চুরির অপেক্ষায়।
দুই বছর আগে প্রথম টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে পরাজিত ভারত শুরুতে বল করার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণও ছিল। সবুজ উইকেটের পাশাপাশি মেঘে ঢাকা ছিল আকাশ। নতুন বলের পেসাররা যার ফায়দাও তুলে নিতে পারে। চতুর্থ ওভারেই উসমান খাজার (০) উইকেট নেন সিরাজ। দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য ধাক্কা সামাল দেন ডেভিড ওয়ার্নার ও মার্নাস লাবুশেন। ৭১ রানে ওয়ার্নারকে (৪৩) ফিরিয়ে আবার ছন্দপতন ঘটাতে অবদান রাখেন শার্দুল ঠাকুর। ৫ রান যোগ হলে দ্রুত লাবুশেনের (২৬) উইকেট তুলে নিয়ে তাদের চাপে ফেলেন সামি। কিন্তু বাকি বোলাররা সেই চাপ কাজে লাগাতে পারেননি। উল্টো তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন হেড-স্মিথ। তাতে অফস্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বাদ দিয়ে চতুর্থ পেসার নেওয়ার সিদ্ধান্তটা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তাদের বোলিংও সেভাবে কাজে দেয়নি। ৪ পেসারের আক্রমণে উমেশ যাদব ও শার্দুল ৩২ ওভার বল করেছেন। কিন্তু ১২৯ রানের বিনিময়ে তারা উইকেট নিতে পেরেছেন একটি! চিরাচরিতভাবে নতুন বলে ভালো প্রভাব বিস্তার করেছেন মোহাম্মদ সিরাজ ও মোহাম্মদ সামি। প্রথম ঘণ্টায় ১২ ওভারে ২৯ রান দেন তারা। এই সময়ে শূন্য রানে খাজার উইকেটটিও নেওয়া গেছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: প্রথম দিন শেষে
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৮৫ ওভারে ৩২৭/৩ (হেড ১৪৬*, স্মিথ ৯৫*, ওয়ার্নার ৪৩, লাবুশেন ২৬; সিরাজ ১/৬৭, সামি ১/৭৭, ঠাকুর ১/৭৫)।