এজবাস্টনে আকস্মিক আঘাতে অস্ট্রেলিয়াও চাপে

প্যাট কামিন্সের গতি আর নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে নাভিশ্বাস উঠেছিল ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের। এজবাস্টন টেস্টের তৃতীয় দিন হাপিত্যেশ করলো স্বাগতিকরা। অস্ট্রেলিয়াকে বড় লক্ষ্য দিতে পারেনি তারা। তবে অ্যাশেজ বলে কথা! ম্যাচে উত্তেজনা তো ছড়াবেই। হলোও তাই। দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিয়ে অজিদের লড়াই কঠিন করে তুলেছে ইংলিশরা।

দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২৭৩ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২৮১ রানের। দিন শেষ হওয়ার আগে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০৭ রান। শেষ দিন জিততে আরও ১৭৪ রান করতে হবে সফরকারীদের। 

বৃষ্টিতে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে চার বলের মধ্যে দুই ব্যাটারকে হারিয়ে ইংল্যান্ড চাপে পড়েছিল। ওলি পোপ ও জো রুট ছিলেন ক্রিজে। সোমবার খেলতে নেমে তারাও খুব একটা স্বাচ্ছন্দে ছিলেন না। পোপকে (১৪) ফিরিয়ে দেন প্যাট কামিন্স। ৫০ রানের জুটি ছিল তাদের।

রুট আরেকটি পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি গড়েন হ্যারি ব্রুককে নিয়ে। সেটাও ৫২ রানের বেশি হয়নি। রুট ও ব্রুক দুজনই ৪৬ রান করে নাথান লায়নের শিকার। তারপর ইংল্যান্ডের শেষ প্রতিরোধ বেন স্টোকস ও জনি বেয়ারস্টোর জুটিতে। ৪৬ রানের এই জুটি ভাঙার পর স্বাগতিক ব্যাটারদের প্যাভিলিয়নে ফেরার মিছিল বাড়তে থাকে। ৭৭ রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড, যার শুরু বেয়ারস্টোর (২০) বিদায়ে । স্টোকসও (৪৩) হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি।

ইংল্যান্ডকে ২৭৩ রানে অলআউট করতে লায়ন ও কামিন্স চারটি করে উইকেট নেন।

২৮১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে আশা জাগানিয়া শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। উসমান খাজা ও ডেভিড ওয়ার্নার সতর্ক ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন। আবারও ব্যর্থ ওয়ার্নার, এবার রবিনসনের বলে পেছনে বেয়ারস্টোকে ক্যাচ দেন তিনি। ৩৬ রান করেন তিনি। 

এই জুটি ভাঙার পর খাজা একপ্রান্ত আগলে রাখলেও স্টুয়ার্ট ব্রডের তিন ওভারে দুই ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৮৯ রানের মধ্যে মার্নাস লাবুশেন (১৩) ও স্টিভ স্মিথ (৬) ফিরে যান। বিনা উইকেটে ৬১ রান করার পর আকস্মিক আঘাতে ২৮ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে অজিরাও।   

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের সেরা ব্যাটার খাজা নাইটওয়াচম্যান স্কট বোল্যান্ডকে নিয়ে দিন শেষ করে আসেন। দুজনের জুটি অপরাজিত ১৮ রানের। ৩৪ রানে খাজা ও ১৩ রানে বোল্যান্ড অপরাজিত আছেন।