ঈদের পর সাদা বলের সিরিজ দিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে। তার আগে বুধবার শুরু হয়েছে প্রি-সিরিজ ক্যাম্প। ঈদের আগে আরও দুই দিন এই ক্যাম্প চলবে। এদিন আফগানিস্তানের বিপেক্ষ ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি দলের ক্রিকেটার ছাড়াও স্কোয়াডের বাইরের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার হাজির ছিলেন।
আফগানিস্তানকে একমাত্র টেস্টে উড়িয়ে দেওয়া গেলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কাজটা মোটেও সহজ হবে না। ঈদের পর ৫ জুলাই থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। দলে রশিদ খান, মুজিব উর রহমানরা যোগ দেওয়াতে শক্তি বেড়েছে। দলের অন্যতম স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ মনে করেন, শক্তি বাড়লেও আফগানদের বিপক্ষে জেতা সম্ভব, ‘সাদা বলে ওরা শক্তিশালী, অনেক ভালো দল। ওদের ভালো কিছু স্পিনার আছে। তবে আমরা কিন্তু ওদের সঙ্গে আলহামদুলিল্লাহ সবসময় জিতি। সর্বশেষ সিরিজও জিতেছি। ওয়ার্ল্ড কাপে ওদের হারিয়েছি। কিছু সময়ের জন্য হয়তো আমাদের চাপে ফেলে। আলহামদুলিল্লাহ আমরা সেটা কাটিয়ে উঠতে পারি। প্রতিপক্ষ যেটা বললেন, ছোট করে দেখার কিছু নেই। সবসময় কঠিন পরিস্থিতি আসে। সেটা কীভাবে সামাল দিতে হবে আমাদের সব প্লেয়াররা ভালো করেই জানে।’
টেস্ট দলে রশিদ-মুজিবরা ছিলেন না। ওয়ানডেতে ফেরায় নিশ্চিতভাবেই সফরকারীদের বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজ করবে। মিরাজ অবশ্য এক্ষেত্রে পুরনো সিরিজের উদাহরণ টেনেছেন, ‘ওরা (মুজিব-রশিদ) দলে ফিরেছে। আগেও তো দলে ছিল। হোম সিরিজ যখন হয়েছে, আমরা জিতেছিলাম। ওরা তো অনেক শক্তিশালী দল নিয়ে এসেছিল। আসলে সবসময় ক্রিকেটে আপডাউন থাকে, খারাপ সিচুয়েশন থাকে, ভালো সময়ও থাকে। ৫০ ওভারের মধ্যে অনেক কিছু ঘটে। আমরা মানসিকভাবে সামলাতে সেসবের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সবাই ফর্মে আছে।’
বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে আরও একটি ওয়ানডে সিরিজ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। তার আগে এটাই শেষ ওয়ানডে সিরিজ। এই সিরিজ থেকে কী প্রত্যাশা করছেন- এমন প্রশ্নে এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘পরিকল্পনা তো অবশ্যই থাকবে। অবশ্যই আমরা ট্রু উইকেটে খেলবো। যাতে ব্যাটাররা রান করতে পারে। তাছাড়া বোলাররা ভালো উইকেটে কীভাবে উইকেট বের করতে হয় জানে। আমি আশা করি যে, এই রকমই প্ল্যানিং থাকবে।’
বিশ্বকাপের আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ হারলে সেটি কি দুর্ঘটনা হবে? মিরাজের উত্তর, ‘৫, ৭ কিংবা ১০ টা সিরিজ খেললে আপনি হারতেই পারেন। এমন হতেই পারে। তবে আমরা ওই দিকে ফোকাস দিচ্ছি না। যাতে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, সেই দিকে লক্ষ্য রাখছি। যেহেতু আফগানিস্তান সিরিজের পর এশিয়া কাপ, নিউজিল্যান্ড সিরিজের পরে ওয়ার্ল্ড কাপ। ফিনিংশিংটা যেন ভালো দিতে পারি সেই লক্ষ্য থাকবে।’