প্রথম ওয়ানডের সংক্ষিপ্ত স্কোর- আফগানিস্তান ২১.৪ ওভারে ৮৩/২; বৃষ্টি আইনে লক্ষ্য ৪৩ ওভারে ১৬৪ (ইব্রাহিম জাদরান ৪১*, হাশমতউল্লাহ ৯*; রহমত শাহ ৮, রহমানুল্লাহ গুরবাজ ২২)
বাংলাদেশ: ৪৩ ওভারে ১৬৯/৯ ( মোস্তাফিজুর ৩*, হাসান ৮*; হৃদয় ৫১, তাসকিন ৭, মিরাজ ৫, আফিফ ৪, মুশফিক ১, সাকিব ১৫, শান্ত ১২, লিটন ২৬, তামিম ১৩) বনাম আফগানিস্তান।
বাজে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে দিনটা বাংলাদেশের ছিল না। চট্টগ্রামে প্রথম ওয়ানডেতে বাজে ব্যাটিংয়ের খেসারত দিলো স্বাগতিকরা। বৃষ্টি আইনে প্রথম ম্যাচ ১৭ রানে জিতেছে সফরকারী আফগানিস্তান। তাতে ৩ ম্যাচ সিরিজে রশিদ খানরা ১-০ তে এগিয়ে গেলো।
তৃতীয়বারের মতো আবারও ম্যাচটায় হানা দেয় বৃষ্টি। ততক্ষণে আফগানদের স্কোর ছিল ২১.৪ ওভারে ২ উইকেটে ৮৩। তার পরই নামে বৃষ্টি। তখন বৃষ্টি আইনে আফগানরাই এগিয়ে ছিল। বৃষ্টি কমায় নতুন লক্ষ্য নেমে আসে ২৯ ওভারে ১১১ রানে। পরে অবশ্য ম্যাচই মাঠে গড়ানো যায়নি। তবে শুরুতে আফগানদের উইকেট নিয়ে চাপে ফেলতে পারলে দৃশ্যপট ভিন্ন হলেও হতে পারতো। দারুণ ব্যাটিংয়ে আফগানদের এগিয়ে রেখেছেন মূলত ইব্রাহিম জাদরান। ৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। শুরুতে ওপেনিং জুটিতেও গুরবাজকে নিয়ে তিনি ৫৪ রান যোগ করেছেন।
৯ রানে একটি উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ২৬ রানে অপরটি নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ম্যাচসেরা আফগান পেসার ফারুকি।
তাসকিনের হাত ধরে এলো দ্বিতীয় সাফল্য
ওপেনিং জুটি ভাঙার পর দ্বিতীয় সাফল্য পেতেও দেরি হলো না। ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন রহমত। কিন্তু ২০তম ওভারে তাকে প্রথম স্লিপে লিটনের ক্যাচ বানিয়েছেন তাসকিন। তাতে চাপে ফেলা গেছে সফরকারীদের।
বাজে ব্যাটিংয়ে সমৃদ্ধ স্কোরবোর্ড পায়নি বাংলাদেশ। তবে বোলাররা তাদের কাজ ঠিকমতোই করছিলেন। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরুতেই আফগানদের চাপে রাখতে সফল হয়েছিলেন তারা। ধীরে ধীরে সফরকারীরা রান তোলায় মনোযোগী হন অবশ্য। ওপেনিং জুটিতেই জাদরান-গুরবাজ জুটি ৫৪ রান যোগ করেছেন। ১৫.৪ ওভারে এই জুটি ভেঙে ব্রেক থ্রু এনে দেন সাকিব আল হাসান। তার চতুর্থ ওভারে উইকেট ছেড়ে খেলতে গিয়েছিলেন গুরবাজ। কিন্তু সরাসরি মিডউইকেটে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন তিনি। ফেরার আগে গুরবাজ ৪৫ বলে ২২ রান করেছেন। তাতে ছিল শুধু একটি চার।
১৬৯ রানে থেমেছে বাংলাদেশ
চট্টগ্রামে ওয়ানডে সিরিজটাকে বলা হচ্ছিল বিশ্বকাপের ড্রেস রিহার্সেল। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই বাজে ব্যাটিং প্রদর্শনী করলো স্বাগতিক বাংলাদেশ। বৃষ্টির বাধায় ৪৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচটায় তারা ৯ উইকেটে ১৬৯ রানের স্কোর গড়তে পেরেছে। তাতে বৃষ্টি আইনে আফগানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৬৪ রান।
প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল হৃদয়। ১৩৯ রানে পড়ে যায় ৭ উইকেট। তার পরেও হাফসেঞ্চুরি তুলে স্কোরটাকে বলার মতো জায়গায় নিতে পেরেছেন তিনি। ৪২তম ওভারে হৃদয় আউট না হলে স্কোরটা আরও বড় হতে পারতো!
তাওহীদ হৃদয় ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন লিটন দাস। ইনিংস বড় করতে পারেননি তামিম ইকবাল (১৩), নাজমুল হোসেন শান্ত (১২), সাকিব আল হাসান (১৫), মুশফিকুর রহিমদের (১) কেউই।
আফগানদের মধ্যে ২৪ রানে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন পেসার ফজল হক ফারুকি। ২১ ও ২৩ রানে দুটি করে নিয়েছেন রশিদ খান ও মুজিব উর রহমান।
প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে প্রান্ত আগলে খেলছিলেন তাওহীদ হৃদয়। তার ব্যাটেই স্কোর একটা পর্যায়ে গেছে। কিন্তু ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটির পর আর ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ফারুকির বলে গ্লাভসবন্দি হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন ৫১ রানে।
তাসকিনের বিদায়ে পড়লো অষ্টম উইকেট
বৃষ্টি থেমে ওভার কমিয়েও খেলায় কোনও পরিবর্তন হলো না বাংলাদেশের। ৩৭.২ ওভারে অফস্পিনার মুজিব উর রহমানের ঘূর্ণিতে লেগ বিফোরে সাজঘরে ফেরেন তাসকিন আহমেদ (৭)। শুরুতে তাসকিন রিভিউ নিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ হয়নি তাতে। টিভি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে সাজঘরেই ফিরতে হয়েছে।
বৃষ্টি থেমেছে, খেলা শুরু সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে
চট্টগ্রামে নতুন করে বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ ছিল ঘণ্টা খানেক। বৃষ্টি থেমে আবার বেড়েছেও। সর্বশেষ বৃষ্টি থামার পর সরানো হয়েছে কাভার। নতুন করে খেলা শুরুর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে। কমে গেছে ওভারও। ৭ ওভার কমিয়ে ম্যাচের পরিধি করা হয়েছে ৪৩ ওভার।
আবারও বৃষ্টির কবলে প্রথম ওয়ানডে
দ্বিতীয় দফায় চট্টগ্রামের বৃষ্টিতে বন্ধ হলো বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের প্রথম ওয়ানডে। ৩৫তম ওভারের তৃতীয় বল শেষে বৃষ্টি নেমেছে। বাংলাদেশের স্কোর ৭ উইকেটে ১৪৪ রান।
উইকেটের সঙ্গে রিভিউও হারালো বাংলাদেশ
ফজল হক ফারুকীর গতির সঙ্গে পেরে উঠছিলেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। রান করাও হয়ে উঠছিল কষ্টসাধ্য। ওয়ানডে সুলভ ব্যাটিং করতে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটার। ২৩ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে এলবিডব্লিউ হন তিনি। আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নেন। কিন্তু উইকেট বাঁচাতে পারেননি। সপ্তম উইকেটের সঙ্গে রিভিউও হারালো বাংলাদেশ। ১৩৯ রানে নেই ৭ উইকেট।
রশিদের দ্বিতীয় শিকার আফিফ
ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়াতে আফিফ হোসেনকে ডাকা হয়েছিল একাদশে। টপ অর্ডারদের ব্যর্থতার দিনে নিজেকে প্রমাণ করতে পারতেন তিনি। কিন্তু একই পথে হাঁটলেন। ৮ বলে ৪ রান করে রশিদ খানের দ্বিতীয় শিকার আফিফ। আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউ নেয় আফগানিস্তান এবং এলবিডব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশের ব্যাটার।
হতাশ করলেন সাকিব, ৩ বলে শেষ মুশফিকের ইনিংস
কাভারে মোহাম্মদ নবীর দুর্দান্ত ক্যাচে থামতে হলো সাকিব আল হাসানকে। তার ড্রাইভে ছুটে আসা বল ডানদিকে ঝাঁপিয়ে দুই হাতে লুফে নেন আফগান ফিল্ডার। ৩৮ বল খেলে মাত্র ১৫ রান করে প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশি ব্যাটার। তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৩৭ রানের। ১০৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর থিতু হতে না হতেই মুশফিকুর রহিম ফেরেন প্যাভিলিয়নে। ৬ বলের মধ্যে ৩ রানের ব্যবধানে দুটি উইকেট নেই। রশিদ খানের বলে মাত্র ৩ বলে শেষ হয় মুশফিকের ইনিংস। ১ রানে বোল্ড বাংলাদেশি উইকেটকিপার ব্যাটার।
একশ ছাড়িয়ে বাংলাদেশ
২১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে বল ঠেলে দিয়ে এক রান নিলেন সাকিব আল হাসান। তাতে বাংলাদেশের স্কোর একশতে পৌঁছালো।
বৃষ্টিতে বন্ধ থাকার পর শুরু হলো খেলা
৩টা ২১ মিনিটে বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা পর আবার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান প্রথম ওয়ানডে। কোনও ওভার না কমিয়েই ম্যাচ শুরু হয়েছে ৪টা ১০ মিনিটে।
বৃষ্টির কবলে বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের ওয়ানডে
১৬তম ওভারের প্রথম বল হওয়ার পরই বৃষ্টির কবলে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের প্রথম ওয়ানডে। ক্রিজে আছেন সাকিব আল হাসান ও তৌহিদ হৃদয়। আপাতত মাঠ কাভার দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের স্কোর ৩ উইকেটে ৮৪।
লিটন-শান্তর বিদায়ে আকস্মিক বিপর্যয়
১১তম ওভারে দুই চার ও এক ছয় মেরে ১৭ রান তোলেন লিটন দাস। স্কোরবোর্ডে জমা ১ উইকেটে ৬৫ রান।
দারুণ কিছুর আভাস দিচ্ছিল লিটন ও নাজমুল হোসেন শান্তর জুটি। কিন্তু ৩৫ রানের জুটি বিচ্ছিন্ন হয়ে দুজনই ফিরে গেলেন ৬ বলের মধ্যে।
১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে মুজিব উর রহমানের শিকার লিটন। ৩৫ বলে ২৬ রান করে রহমত শাহকে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসেন। পরের ওভারে মোহাম্মদ নবী নিজের প্রথম বলেই শান্তকে ফেরান। ১৬ বলে ১২ রান করে শর্ট ফাইনে মোহাম্মদ সেলিমের সহজ ক্যাচ হন বাংলাদেশি ব্যাটার। গত মাসে আফগানদের বিপক্ষে টেস্টে ১৪৬ ও ১২৪ রান করা শান্ত ওয়ানডেতে হতাশ করলেন।
পাওয়ার প্লেতে তামিমকে হারিয়ে বাংলাদেশের ৪৮ রান
তামিম ইকবাল সপ্তম ওভার শেষ হওয়ার এক বল বাকি থাকতে আউট। ৩০ রানে বাংলাদেশ এই ওপেনারকে হারায়। পরের ওভারে লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্তর তিন চারে ১৩ রান তোলে স্বাগতিকরা। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেটে বাংলাদেশের রান ৪৮। অবশ্য আরেকটি উইকেট যেতে পারতো। দশম ওভারে মুজিব উর রহমান ফিরতি বলে শান্তর ক্যাচ ছেড়ে দেন।
১৩ রান করে প্যাভিলিয়নে তামিম
শতভাগ ফিট না হয়েও খেলার নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। সেরাটাই হয়তো দিতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। কিন্তু আশাহত করলেন। দুটি চারে মাত্র ১৩ রান করে ফজলহক ফারুকীর বলে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে ক্যাচ দেন তিনি। ৩০ রানে বাংলাদেশ হারালো প্রথম উইকেট।
১ বলে ১০ রান বাংলাদেশের
ইনিংসের প্রথম বলেই লেগ বাই থেকে একটি রান যোগ হয় বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে। প্রথম ওভারে আর কোনও রান নেই। অভিষিক্ত মোহাম্মদ সেলিম দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নেন। প্রথম বলটি ওয়াইড এবং বল বাউন্ডারির বাইরে যায়, দ্বিতীয় বলও একই ছিল। পরের বলে চার মারেন তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বল থেকেই ১০ রান আসে।
টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো আফগানিস্তান
শুরু হলো বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ওয়ানডে সিরিজ। বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ। আফগান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহীদী টসে জিতে বোলিং নেন।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডের একাদশ থেকে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। এবাদত হোসেনকে বাদ দিয়ে আফিফ হোসেনকে নিয়েছে স্বাগতিকরা।
পরিবর্তন আছে আফগানিস্তানের একাদশেও। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডে খেলা দল থেকে বাদ পড়েছেন গুলবাদিন নাইব। মোহাম্মদ সেলিমের অভিষেক হচ্ছে।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তৌহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ।
আফগানিস্তান একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), ইব্রাহিম জাদরান, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহীদী (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নবী, নাজিবউল্লাহ জাদরান, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, ফজলহক ফারুকী, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ সেলিম।
এ যেন বিশ্বকাপের ড্রেস রিহার্সেল
ধর্মশালায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুরুতে ছন্দে থাকতে পারলে তা পুরো টুর্নামেন্টে টেনে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হবে। ফলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শুরুটা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। বুধবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে অধিনায়ক তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চারটি ম্যাচ (এই সিরিজের তিনটি ম্যাচ ও এশিয়া কাপের একটি ম্যাচ) তাদের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতিতে ভূমিকা রাখবে।
সব মিলে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সম্ভাবনা নিয়েই চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে দুই দল। ম্যাচটি শুরু হচ্ছে দুপুর ২টায়। সরাসরি দেখাবে গাজী টেলিভিশন ও টি-স্পোর্টসে।