শাকিলের ডাবল সেঞ্চুরিতে গলে পাকিস্তানের দিন

১০১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ধুঁকছিল। ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা সৌদ শাকিল ম্যাচের চেহারা পাল্টে দেন। আগা সালমানকে নিয়ে দেড় শতাধিক রানের জুটিতে শ্রীলঙ্কাকে হতাশ করেন। ওখানেই শেষ নয়, টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম ইনিংসে পেয়ে গেলেন ডাবল সেঞ্চুরিও। তাতে স্বাগতিকদের মাথায় হাত। গল টেস্টের তৃতীয় দিন নিজেদের করে নিলো পাকিস্তান, যাতে অবিশ্বাস্য অবদান শাকিলের। লঙ্কানদের ৩১২ রানের জবাবে সফরকারীরা থেমেছে ৪৬১ রানে। ১৪৯ রানের লিড পেয়েছে তারা। আলোক স্বল্পতার কারণে আগেভাগে দিনের সমাপ্তি ঘোষণা করতে হয়েছে, লঙ্কানরা বিনা উইকেটে করেছে ১৪ রান। তারা ১৩৫ রানে পিছিয়ে।

শাকিল ৬৯ ও সালমান ৬১ রানে অপরাজিত থেকে দিন শুরু করেন। এই জুটি ভেঙেছে ১৭৭ রানে। ৮৩ রানে থামেন সালমান। নোমান আলীর সঙ্গে জুটিতে পাকিস্তানকে লিড এনে দেন শাকিল। প্রথম সেশনেই অবশ্য ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন ২৭ বছর বয়সী ব্যাটার। 

পাকিস্তানের বড় লিডে নাসিম শাহের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। ৩৪৬ রানে ৮ উইকেট পড়ার পর শাকিল তাকে নিয়ে ৯৪ রানের জুটি গড়েন। মাত্র ৬ রান করেন নাসিম, কিন্তু ৭৮ বল খেলেছে বুক চিতিয়ে। তার বিদায়ে শাকিলের ডাবল সেঞ্চুরি হুমকির মুখে পড়েছিল। শেষ ব্যাটার হিসেবে আবরার আহমেদ যখন ক্রিজে, তখন তার রান ১৯৭। হতাশ হতে হয়নি তাকে। আর ৬ বল খেলতে হয়েছে। ১৯তম বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৫২ বলে ক্যারিয়ারে প্রথম দ্বিশতকের দেখা পান শাকিল।

আবরার (১০) আউট হওয়ার আগে প্রবাথ জয়াসুরিয়ার বলে একটি করে ছয়-চার মেরে লিড বাড়ান। ২০৮ রানে অপরাজিত ছিলেন শাকিল, ছিল ১৯ চার।

শ্রীলঙ্কার পক্ষে রমেশ মেন্ডিস সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩৬ রান দিয়ে। ১৪৫ রান দিয়ে প্রবাথ নেন ৩ উইকেট।

দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ৩.৪ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। তাতে নিশান মাদুশকা ৮ ও দিমুথ করুণারত্নে ৬ রানে অপরাজিত।