এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে চার্টার্ড বিমান দেবে এসিসি

ভারত এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যাবে না বলেই ‘হাইব্রিড মডেলে’ হচ্ছে এশিয়া কাপ। বুধবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। বাংলাদেশকে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচটি খেলতে হবে পাকিস্তানে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সুপার লিগে উঠলে আরও একটি ম্যাচ খেলতে হবে সেখানে। ভ্রমণক্লান্তি এড়াতে বাংলাদেশকে চার্টার্ড বিমান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসিসি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

সূচি প্রকাশের পরদিন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘আমাদের প্রথম ম্যাচটা খেলে আবার লাহোরে যেতে হবে। যেতে হবে, কিছু করার নেই। ৩১ তারিখের পর ৩ তারিখ আরেকটা ম্যাচ। ভ্রমণ যাতে আরামদায়ক হয় সেজন্য এসিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল চার্টার্ড প্ল্যানে আসা-যাওয়া করবে।’

গ্রুপ ‘বি’ থেকে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে লড়বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ক্যান্ডিতে ম্যাচটি হবে ৩১ আগস্ট। আর দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে উড়াল দিতে হবে পাকিস্তানে। লাহোরে ৩ সেপ্টেম্বর সেই ম্যাচের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। সেখানে খেলে অপেক্ষায় থাকতে হবে সাকিবদের। যদি সুপার লিগে উঠে তাহলে বাংলাদেশকে মুলতানে খেলতে হবে। ওই ম্যাচ খেলেই সুপার লিগের বাকি ম্যাচ খেলতে শ্রীলঙ্কায় ফিরতে হবে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। এই অবস্থায় বিমানবন্দরে নানা ধকলসহ বিড়ম্বনা এড়াতে চার্টার্ড ফ্লাইটে আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)।

অবশ্য হাইব্রিড মডেলে এশিয়া কাপ হওয়াতে বিসিবির বিষয়টি মেনে নেওয়া ছাড়াও কোনও উপায় নেই। জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘ট্রাভেলে তো ইমপ্যাক্ট (প্রভাব ফেলে) হয়। আমি মনে করি, এয়ারে ট্রাভেল করলে ২-৩ ঘণ্টা আগে যেতে হয়, লাগেজ নিয়ে যেতে হয়। মানসিক প্রস্তুতিরও ব্যাপার আছে। আর শ্রীলঙ্কা থেকে পাকিস্তান অনেক দূরে। যেহেতু এসিসির সিদ্ধান্ত আর সবাই অংশ নিচ্ছে... আমাদেরও মেনে নিতে হচ্ছে।’ 

বিশ্বকাপের আগে এশিয়া কাপকে এসিড টেস্ট হিসেবে দেখছেন বিসিবির এই কর্তা। নজর তাদের শিরোপায়, ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসিড টেস্ট বলুন কিংবা প্র্যাকটিস- খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই কাপের জন্যই খেলে। প্রস্তুতি, মাইন্ডসেট সেটা ট্রফি জয়ের জন্যই। আমাদের মাইন্ডসেট তাই। প্রতিটা ম্যাচকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে।’