এক নজরে প্রথম ইনিংসের উল্লেখযোগ্য খণ্ড খণ্ড চিত্র তুলে ধরা হলো-
১.৩ ওভার- আল আমিনের দুরন্ত ইনসুইংগার। গুড লেংন্থে পড়ে বল সুইং করে ও গতির কাছে পরাস্ত হন শিখর ধাওয়ান। অফস্ট্যাম্পের ‘কার্ট হুইলিং’ বাংলাদেশি পেসারদের বলে খুব একটা দেখা যায় না। উদ্বোধনী ম্যাচের উদ্বোধনী উইকেট পড়লো নয়ন মনোহর ধারায়!
৪.৩ ওভার- ‘ক্যাপ্টেনস স্পেশাল’ ম্যাচে নিজে তৃতীয় বল করতে এসেই বিরাট কোহলির দামি উইকেটের পতন। বোলার আর কেউ নন। ‘ম্যাশ দ্য স্পেশাল’ মাশরাফি, মিসটাইম করে মিড অফে মাহমুদউল্লাহর হাতে সহজ ক্যাচ দিলেন ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মূল স্তম্ভ। মিরপুরে তখন আনন্দের জোয়ার। চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে গিয়ে নিজেই চাপের বলি কোহলি।
৭.৫ ওভার- মাহমুদউল্লাহর নাচন। কারণ ‘ডাউন দ্য উইকেট’ খেলতে এসে সুরেশ রায়নার মিডল স্ট্যাম্প কুপোকাত, টার্নে পরাস্ত সুরেশ রায়না। মৃদু লয়ে নাচলেন মাহমুদউল্লাহ, যোগ দিলেন সতীর্থরাও।
১০.৩ ওভার- তাসকিনের বলে স্কয়ার কাট করে বুক কেঁপে উঠলো রোহিত শর্মার। কারণ বল যে সোজা চলে গেছে পয়েন্টে দাঁড়ানো সাকিব আল হাসানের হাতে। কিন্তু হায় একি হলো, বল ফেলে দিলেন সাকিব! দীর্ঘ শ্বাস চেপে রেখে আবার নিজ বোলিং মার্কে ফিরলেন তাসকিন।
১০.৪/৫/৬ ওভার- ২১ রানে নবজীবন পেয়ে পরপর তিন বলে ৪+৬+৪ মারলেন রোহিত শর্মা। ম্যাচে হঠাৎ করেই ভারতের আধিপত্য বিস্তৃত হওয়া শুরু।
১৪.১ ওভার- সাকিবের বলে হালকা ড্রাইভ করে নিজে ফিফটি পূর্ণ করলেন রোহিত শর্মা। তখন সাকিবের মনে কি এসেছিল ক্যাচ ড্রপের কথা?
১৪.৫ ওভার- সাকিবের দুঃখ লাঘব হয়তো হলো কিছুটা। হাঁটু গেড়ে সুইপ শট করেছিলেন যুবরাজ সিং। পাওয়ার ছিল কম, ডিপ মিডউইকেটে সৌম্য সরকার বল লুফে নিলেন। ভারতের অভিজ্ঞ নামটির ততক্ষণে বিদায়।
১৫.৪/৫/৬ ওভার- মাশরাফিকে আক্রমণ করলেন রোহিত শর্মা। ৬+৪+৪=১৪ রান নিয়ে নিলেন ভারতের ‘ম্যান ইন ফর্ম’।
১৬.৩ ওভার- বাউন্ডারি লাইনের দড়ির ওপর আবারও সাকিব আল হাসানকে টপকে রোহিত শর্মার ছক্কা।
১৭.৪ ওভার- হারদিক পান্ডের পাওয়ার। এরপর দুটি চারের মারে রোহিত শর্মার সঙ্গে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১৮ বলে ৫০ রান এলো ভারতের।
১৯.২ ওভার- অবশেষে রোহিত শর্মার বিদায়। আল আমিনের বলে ডিপ মিডউইকেটে সৌম্য সরকারের সুপার ক্যাচ। ৫৫ বলে ৭টি চার ও তিনটি ছক্কায় শেষ হলো রোহিত শর্মার অনবদ্য ইনিংস।
২০ ওভার- আল আমিনের ভালো ওভার দিয়ে শেষ। দুটি উইকেটের পতন ও শেষ বলে ধোনির ছক্কায় ১৬৬ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।
/এফআইআর/