এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ সামনে রেখে সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ফিটনেস ক্যাম্প। এজন্য ৩২ জন ক্রিকেটারের নাম চূড়ান্ত করেছেন নির্বাচকরা। যদিও ক্যাম্পের প্রথম দিনে কোচিং স্টাফদের কেউই থাকছেন না। এমনকি সব খেলোয়াড়কেও পাওয়া যাচ্ছে না। কেন না অনেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলতে ব্যস্ত আছেন।
রবিবার দুপুরে মিরপুরে সংবাদমধ্যমে ক্যাম্পের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন দুই নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ও আব্দুর রাজ্জাক। ক্যাম্পের শুরুর দিকে মূলত ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে কাজ হবে। এরপর শুরু হবে স্কিল ক্যাম্প।
প্রধান নির্বাচক নান্নু বলেছেন, ‘আমাদের ফিটনেস ক্যাম্প শুরু হচ্ছে। ৩ তারিখে ইয়ো ইয়ো টেস্ট আছে। আমরা দেখতে চাচ্ছি খেলোয়াড়দের ফিটনেস লেভেলটা কোন পর্যায়ে আছে। আমরা ৩২ জন খেলোয়াড় তৈরি করেছি, ওরা ইয়ো ইয়ো টেস্ট করে যাবে। তারপর স্কিল শুরু হবে ৮ তারিখে।’
৫ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলছেন। তাসকিন আহমেদ ও মুশফিকুর রহিম জিম-আফ্রো লিগে খেলেছেন। বাকিরা লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেবেন। সাকিব আল হাসান গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে মাঠ মাতাবেন। এছাড়া এলপিএলে শরিফুল ইসলাম কলম্বো স্ট্রাইকার্স, তাওহিদ হৃদয় জাফনা কিংস ও মোহাম্মদ মিঠুন গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে এলপিএলে মাঠ মাতাবেন। অন্যদিকে লিটন দাস ও আফিফ হোসেন গ্লোবাল লিগে সারে জাগুয়ার্সের হয়ে খেলছেন। স্বাভাবিকভাবেই তারা ক্যাম্পের শুরুতে থাকতে পারছেন না।
ফিটনেস ক্যাম্পে কেউ খারাপ করলেই দলে বিবেচিত হবেন না, এমনটা নয়। ফিটনেস পরীক্ষায় একটা মান দেখা হবে। তারপর স্কিল, দলের কৌশল ও নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের কার্যকারিতার ভিত্তিতে স্কোয়াড বানাবেন নির্বাচকরা। এব্যাপারে নান্নু বলেছেন, ‘৩২ জনের দল আমরা প্রকাশ করছি না, এটা আমাদের মধ্যেই থাকবে। ৫-৬ তারিখে ২১ বা ২২ জনের একটা দল দেবো। ওরাই স্কিল অনুশীলন করবে এশিয়া কাপের জন্য।’
এদিকে মেডিকেল রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তামিম ইকবালের ভাগ্য নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক, ‘মেডিকেল থেকে আমরা এখনও কোনও আপডেট পাইনি। আমরা দল তৈরি করার আগে আশা করছি একটা রিপোর্ট পাবো। আশা করছি অবশ্যই সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে তাড়াতাড়ি।’
/আরআই/এফএইচএম/