১৩ বলে লাগতো মাত্র ২ রান। হার্দিক পান্ডিয়া ছক্কা মেরে দিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারত জিতলো তার ফিনিশিংয়ে। তারপরও তীব্র সমালোচনার শিকার অধিনায়ক। কারণ নন স্ট্রাইকে তিলক ভার্মা ছিলেন ৪৯ রানে অপরাজিত। তাকে টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি বঞ্চিত করায় ও ম্যাচ শেষ করতে না দেওয়ায় হার্দিকের গায়ে লেগে গেছে ‘স্বার্থপর’ তকমা।
এই সিরিজে অভিষিক্ত হয়েছেন তিলক। তিন ম্যাচের প্রতিটিতে তার ইনিংস ত্রিশের ওপরে, এই ফরম্যাটে প্রথম ভারতীয় হিসেবে এমন কীর্তি তার। তবে তাকে টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করার সুযোগ না দেওয়ায় হার্দিককে দুষছেন ভক্তরা।
তিলককে স্ট্রাইকে পাঠিয়ে হাফ সেঞ্চুরির সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল হার্দিকের, এমনটাই দাবি ভক্তদের। অনেকে হার্দিককে মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছ থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন। ঘটনা ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ। শেষ ৭ বলে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১ রান। বিরাট কোহলি ৪৩ বলে ৬৮ রানে ব্যাট করছিলেন। ধোনি ১৯তম ওভারের শেষ বলে রান নিলেন না ইচ্ছে করেই। কারণ তিনি চাইছিলেন বিরাটের ব্যাটে আসুক উইনিং শট। কোহলি অবাক হয়ে ইশারায় জানতে চান, সমস্যা কী? ধোনিও ইশারায় তার মনের কথা বুঝিয়ে দেন। বিরাটের ব্যাটেই ম্যাচ জয়ী শট আসে এবং ভারতও ম্যাচ জিতে যায়। সেদিন ধোনির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিল ক্রিকেট জগত।
ওই ম্যাচের ধোনির ও এই ম্যাচের হার্দিকের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘স্বর্ণের খোঁজে গিয়ে খুঁজে পেলাম কয়লা।’ আরেক সমর্থক টুইটারে এক ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সাঞ্জু স্যামসন লক্ষ্য থেকে ৩ রান দূরে থাকতে বল ইচ্ছা করে ওয়াইড হতে দেননি, যেন তার সতীর্থ সেঞ্চুরি করতে পারেন। ওই সময় নন স্ট্রাইকে ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন যশস্বী জয়সাওয়াল। তাকে ছক্কা মেরে জয় উদযাপন করার ইঙ্গিত দেন স্যামসন। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা, ‘এমন কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো শেখাতে হয় না।’