দারুণ বোলিং নৈপুণ্যের পর নিখুঁত ব্যাটিং, সঙ্গে কিছুটা সৌভাগ্যের ছোঁয়া। তাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত দেশের ক্রিকেটে ইতিহাস তৈরি করলো। শনিবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তারা নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়েছে ৭ উইকেটে, তাও ২৬ বল হাতে রেখে। তিন ক্যাচ ফেলে বাজে ফিল্ডিংয়ের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে আমিরাতের জয়ের কাজ সহজ করে দেয় কিউইরা।
অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিরে হাফ সেঞ্চুরি ও আসিফ খানের অপরাজিত ৪৮ রানের ইনিংসে ভর করে ব্ল্যাক ক্যাপদের দেওয়া ১৪৩ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে আমিরাত। দুবাইয়ে পাওয়া এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ এ সমতা ফেরালো স্বাগতিকরা।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১৪২ রান করেছিল নিউ জিল্যান্ড। জবাবে ১৫.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১৪৪ রান করে আমিরাত।
দুবাইয়ে আগে ফিল্ডিং নিয়ে ৩৮ রানের মধ্যে নিউ জিল্যান্ডের চার উইকেট তুলে নেয় আমিরাত। আয়াজ আফজাল খানের স্পিনে বড় ধাক্কা খায় সফরকারীরা। ১৭ বছর বয়সী বাঁহাতি স্পিনার তার প্রথম দুই ওভারেই নেন ৩ উইকেট।
টপ অর্ডারের বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কাটাতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। ৬৫ রানে ৫ ব্যাটারকে হারানোর পর মার্ক চাপম্যান ও জেমস নিশামের জুটিতে ছিল প্রতিরোধের আভাস। ৫৩ রান যোগ করেনন তারা ষষ্ঠ উইকেটের জুটিতে। নিশাম ২১ রানে থামেন। চাপম্যান সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন ৪৬ বল খেলে। আর একজনই দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন, ওপেনিংয়ে নামা চ্যাড বাওয়েস (২১)।
আফজাল ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। মোহাম্মদ জাওয়াদউল্লাহ পান দুটি উইকেট।
দুইবার জীবন পাওয়া ওয়াসিম ১১তম ওভারে থামেন। মিচেল স্যান্টনারের শিকার হন ২৯ বলে ৪ চার ও ৩ ছয়ে ৫৫ রান করে। বাকি পথ সহজেই পাড়ি দেন আসিফ ও বাসিল আহমেদ। তাদের ৪৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে রচিত হয় আমিরাতি ইতিহাস।
শুরুতে বড় ধাক্কা দিয়ে আফজাল হয়েছেন ম্যাচসেরা। রবিবার হবে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টি।