বোলিংয়ে ভালো শুরু হলেও মাঝের ওভারে ছন্দপতন। তাতে ১৫৮ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড়ায় সামনে। তারপর আগের দুই ম্যাচের মতোই বাজে ব্যাটিং। মূলত ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে গল টাইটান্সের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হলো। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে খেলা হলো না সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের। তাদের দলকে ৩৪ রানে হারিয়ে ডাম্বুলা অরার সঙ্গে ট্রফির লড়াই নিশ্চিত করলো বি-লাভ ক্যান্ডি।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্যান্ডি ৭ উইকেটে ১৫৭ রান করে। তারপর ৮ উইকেটে ১২৩ রানে তারা গলকে থামিয়ে প্রথমবার ফাইনালে উঠলো।
লাহিরু কুমারা ও সাকিবের দারুণ বোলিংয়ে পঞ্চম ওভারে ২০ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় ক্যান্ডি। কুমারা ফেরান দুই ওপেনার মোহাম্মদ হারিস ও থানুকা দাবারেকে। সহন আরাচিগেকে শূন্য রানে ফেরান সাকিব।
এই ধাক্কা বেশ ভালোভাবে সামলে নেয় ক্যান্ডি। ৭২ রানের জুটি গড়েন দিনেশ চান্ডিমাল ও অধিনায়ক হাসারাঙ্গা। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৪৮ রান করে থামেন হাসারাঙ্গা। চান্ডিমালও (৩৮) সোনাল দিনুশার শিকার।
শেষ দিকে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ (২৪) ও চতুরাঙ্গা ডি সিলভার (১৫) ছোট ক্যামিওতে দেড়শ ছাড়ায় স্কোর।
সাকিব চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে ওই একটি উইকেটই নেন। দুটি করে উইকেট নিয়ে সেরা বোলার দিনুশা ও কুমারা।
লক্ষ্যে নেমে মুজিব উর রহমানের প্রথম ওভারে তিনটি চার মেরে দারুণ শুরু এনে দেন লিটন। পরের ওভারে আরও একটি বাউন্ডারি মারেন তিনি। তবে ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। দলীয় ৩৮ রানে তাকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন চতুরাঙ্গা। ১৯ বলে চারটি চারে ২৫ রান করেন লিটন।
ব্যাটিং নড়বড়ে হয়ে পড়ে তারপরই। সাকিবও ব্যাট হাতে আশা দেখাতে পারেননি। ১৫ বলে দুই চারে ১৭ রানে থামেন তিনি। পরে কেবল দিনুশার (২৮) ব্যাট কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল।
শেষ দিকে হাসারাঙ্গা ও মোহাম্মদ হাসনাইনের বল সামলাতে পারেনি গল। প্রথম দুই আসরের ফাইনালিস্টদের থামতে হলো দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। আর প্রথম শিরোপার খোঁজে রবিবার মাঠে নামবে ক্যান্ডি ও ডাম্বুলা।