এরপর কিছুক্ষণ থেমেই নিজের ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা বলেন মালিঙ্গা। তিনি বলেন, ‘আমি শ্রীলঙ্কার হয়ে ১২ বছর ধরে খেলছি। এখন ৩২ বছর হয়ে গেছে। আমার চোট নিয়ে এটাই বলবো এখন যদি ফের চোট পাই তাহলে বিশ্রাম নেওয়া কষ্টকর। আর বিশ্রামে গেলেই বছর খানেক। আর এটা হলে ক্যারিয়ার শেষ হওয়ারই পথে! কারণ দেশের জন্য ভালো ক্রিকেট খেলতে হলে আমাকে সেরা নৈপুণ্যটাই দিতে হবে। কিন্তু আমার মনে হয় না আমি পুরোপুরি এই চোট সারিয়ে উঠতে পারবো। তবে চেষ্টা থাকবে এ নিয়ে কাজ করার। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমি দলের অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটার। তাই আপাতত বিশ্রাম নয়, ক্যারিয়ারের শেষ সময়টাতে সেরাটাই দিতে চাই। এটা হতে পারে কয়েক মাস বা কয়েক বছর।’
নিজের অবসর নিয়ে আরও গভীরে গেলে মালিঙ্গা বলেন, ‘এই মুহূর্তে বলতে পারছি না কত মাস বা বছর খেলতে পারবো। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যাতেই থাকার চেষ্টা থাকবে। সর্বোচ্চ দেওয়াটারই চেষ্টা থাকবে।’
আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ জেতা পারফরম্যান্সে ৪ উইকেট নিয়ে হয়েছেন ম্যাচ সেরা। তাতেও তুষ্ট নন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক। বলেন, ‘গত নভেম্বরের পর আমি খেলতে শুরু হরেছি। হাঁটুর চোটের কারণে খেলতে পারেনি। একই কারণে ২০০৮ সালেও বছর খানেক ক্রিকেটের বাইরে ছিলাম। কিন্তু ফিরে যেটা করেছি তাতে আমি সন্তুষ্ট হতে পারিনি।’
/এফআইআর/