দেশের মানুষের জন্য কিছু নিয়ে যেতে চান সাকিব

আশার বেলুন ফুলিয়ে ভারতে পা দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসানরা। কিন্তু সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে না পারায় বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলার পথটা বন্ধ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। বাকি তিনটি ম্যাচ এখন নিয়ম রক্ষার। যদিও শেষের ম্যাচগুলো থেকে দেশের মানুষকে কিছু খুশি উপহার দিতে চান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

আগামী ৩১ অক্টোবর ইডেন গার্ডেন্সে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ। তারপর শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাকি দুটি ম্যাচ দিল্লি ও পুনেতে। এমন সময় বাংলাদেশ পরবর্তী ম্যাচগুলো খেলবে যখন তারা পুরোপুরি বিধ্বস্ত অবস্থায়। তবে প্রতিপক্ষ পাকিস্তানেরও সেমির স্বপ্ন কার্যত শেষ হয়ে গেছে বলা যায়। 

যতটুকু আছে সেটিও সুতোয় ঝুলে যদি-কিন্তুর মারপ্যাঁচে। এই যদি-কিন্তুর হিসাব তখনই মিলবে, যখন লিগ পর্বে নিজেদের বাকি তিন ম্যাচ জিতবে পাকিস্তান। অর্থাৎ পরের সবগুলো ম্যাচ জয়ের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার সব ম্যাচ হার কামনাও করতে হবে। ৬ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে কোন রকমে টিকে আছে এই দলটির সেমিফাইনাল খেলার আশা। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে শনিবার কলকাতায় এসেছে দলটি। 

পাকিস্তানের সঙ্গে পরের ম্যাচ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাকিব প্রতিপক্ষ নিয়ে কিছু না বললেও এতটুকু জানিয়েছেন, দেশের মানুষের জন্য কিছু নিয়ে যেতে উদগ্রীব তারা, ‘আসলে এখন আমাদের নিজেদের জাগিয়ে তুলতে হবে। এই মুহূর্তে প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করার অবস্থায় আমরা নেই। আমরা যেমনটা খেলতে পারি, সেরকমটাই খেলার চেষ্টা করতে হবে। এছাড়া কোন বিকল্প নেই। তিনটি ম্যাচ আছে, আমাদের সেগুলো খেলতে হবে। দেশের মানুষের জন্য কিছু অন্তত নিয়ে যেতে পারলে ভালো হয়, সেটাই এখন ভাবনায় আছে।’

যদিও বর্তমানে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স যে অবস্থানে, তাতে করে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে সেরাটা দেওয়া বেশ কঠিন। সাকিবও বিষয়টি স্বীকার করে নিলেন, ‘সত্যি বলতে, এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো খুব কঠিন। কিন্তু চেষ্টা করতে হবে। চেষ্টা ছাড়া আমাদের এখন কিছু করার নেই। আজকের দিনটা যদি ভুলে যেতে পারি এবং সামনের ম্যাচগুলোর জন্য মনোযোগ দিতে পারি। তার পরেও খুবই কঠিন এই জিনিসটা করা।’