ওয়ানডেতে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত দক্ষিণ আফ্রিকা

টি-টোয়েন্টিতে সমানে সমান লড়লেও ওয়ানডেতে দেখা গেলো ভারতের আধিপত্য। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ভারতীয় দল। 

পিংক ডে- ওয়ানডেতে শুরু থেকে দাপট ছিল সফরকারীদের। অথচ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলা স্কোয়াড থেকে বেশিরভাগ সিনিয়র সদস্যদের বাদ দিয়েই তারা সফরে এসেছে। বামহাতি পেসার আরশদীপের বোলিং নৈপুণ্যে ২৭.৩ ওভারে ১১৬ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। 

জোহানেসবার্গে শুরুতে টস জিতে প্রোটিয়ারা ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই দলটাকে কাঁপিয়ে দেন আরশদীপ। যার আগের তিন ম্যাচে ছিল না কোনও উইকেট! আরশদীপ ৩৭ রানে নিয়েছেন পাঁচটি। যা তার ক্যারিয়ার সেরা। ফলে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। আবেশ খানও কম ছিলেন না। ২৭ রানে ক্যারিয়ার সেরা ৪ উইকেট নেন তিনি।

পেসাররা উইকেট থেকে পূর্ণ সহায়তা পাচ্ছিলেন। যার পুরোটা লুফে নেন আরশদীপ সিং ও আবেশ খান। আরশদীপ নিজের প্রথম ৭ ওভারের স্পেলে নেন প্রথম চারটি উইকেট। তার পর আবেশ নেন পরবর্তী চারটি।    
৭৩ রানে অষ্টম উইকেট পতনের পর প্রোটিয়ারা একশ রানের মধ্যে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল। সেটি হয়নি লেজের দিকে আন্দিলে ফেহলুকোয়ার ৩৩ রানের ইনিংসে। তার ব্যাটিংয়ের জন্য স্কোর ১১৬ রান পর্যন্ত গেছে। তার পরেও ঘরের মাঠে ওয়ানডেতে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। এর আগে ২০১৮ সালে এই ভারতের বিপক্ষে ১১৮ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল তারা।

মামুলি লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৩ রানে রুতুরাজের উইকেটটি  হারায় ভারত। তার পর হাফসেঞ্চুরিতে জয়ের বন্দরে দলকে পৌঁছে দিতে অবদান রাখেন সাই সুদর্শন ও শ্রেয়াস আইয়ার। আইয়ার শেষ দিকে ৪৫ বলে ৫২ রানে আউট হন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ১টি ছয়ের মার। সুদর্শন অবশ্য ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ৪৩ বলের ইনিংসে ছিল ৯টি চারের মার।  ভারত ২ উইকেট হারিয়ে ১৬.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করেছে। প্রোটিয়াদের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন ভিয়ান মুল্ডার ও আন্দিলে ফেহলুকোয়া।