২০৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমেও শঙ্কার মুখে পড়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রোমাঞ্চের জন্ম দিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে লঙ্কান দল।
প্রথম ওয়ানডেতে হানা দিয়েছিল বৃষ্টি। তাতে ম্যাচ গড়ায়নি অবশ্য। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে লঙ্কানদের রান তাড়ার সময় বৃষ্টি হানা দিলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হয়েছে পুরো ৫০ ওভার। সেটি ছাপিয়ে অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যে লঙ্কানদের খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ের অসাধারণ বোলিং। রিচার্ড এনগারাভা ৩২ রানে ৫ উইকেট, সিকান্দার রাজার কার্যকরী বোলিংয়ে ১৭২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। শুরু থেকে দারুণ খেলতে থাকা জ্যানিথ লিয়ানাগে ৯৫ রানের ইনিংস খেলে দলটাকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন। তিনি অষ্টম উইকেট হিসেবে আউট হলে পরাজয়ের শঙ্কার মুখে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দুশমন্থ চামিরা ও জেফরে ভ্যান্ডারসে যখন ক্রিজে ছিলেন, তখনও ৪৫ বলে প্রয়োজন ছিল ৩৭ রান। চাপের মুহূর্তে তখন ভীষণ ধৈর্য্যের পরিচয় দেন এই দুজন। ততক্ষণে দারুণ বল করতে থাকা এনগারাভাও নিজের কোটা পূরণ করে ফেলেছিলেন। তখন শুধু হুমকি হতে পেরেছিলেন একমাত্র মুজারাবানি। কিন্তু সেই হুমকির বিপরীতে ভালোই প্রতিরোধ গড়ে জয় তুলে নেন চামিরা-ভ্যান্ডারসে। তাদের অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রানের জুটিতেই পরে ৬ বল হাতে রেখে শ্রীলঙ্কা জয় নিশ্চিত করেছে। চামিরা ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন, ভ্যান্ডারসে ছিলেন ১৯ রানে।
কলম্বোয় শুরুতে টস জিতে ব্যাট করেছিল জিম্বাবুয়ে। একমাত্র অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনের ৮২ রানে লড়াই চলেছে সফরকারীদের। এছাড়া রায়ান বার্ল ৩১ ও ওপেনার জয়লর্ড গাম্বি ৩০ রান করেছেন। সফরকারীরা সবকটি উইকেট হারিয়ে ৪৪.৪ ওভারে গুটিয়ে গেছে ২০৮ রানে।
লঙ্কানদের হয়ে ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন মাহিশ থিকশানা। ৪৪ রানে দুশমন্থ চামিরা ও ৪৭ রানে ভ্যান্ডারসে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। ২৪ রানে একটি শিকার মাদুশাঙ্কার।
লঙ্কানদের বাজে ব্যাটিংয়ের দিনে মূল প্রতিরোধ গড়া লিয়ানাগে জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেছে স্বাগতিক দল।