শুরুর ধাক্কা সামলে চট্টগ্রামকে হারালো খুলনা

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স স্কোরবোর্ড জমাতে না পারলেও বল হাতে দারুণ শুরু করে। তবে সেই ধাক্কা সামলে নিতে পেরেছে খুলনা টাইগার্স। শনিবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটে জিতেছে এনামুল হক বিজয়ের দল।

নাহিদুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে চট্টগ্রামকে ১২১ রানে অলআউট করে খুলনা। তারপর লক্ষ্যে নেমে পঞ্চম ওভারে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। এভিন লুইস (১২) ও শাই হোপকে (৯) প্যাভিলিয়নে পাঠান আল আমিন হোসেন। মাঝে বিজয়কে (৯) আউট করেন শহীদুল ইসলাম।

এই ধাক্কা সামাল দেন আফিফ হোসেন ও মাহমুদুল হাসান জয়। দুজনে মিলে ৪৬ রান যোগ করে স্বস্তি ফেরান। ছয় রানের ব্যবধানে খুলনার দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরায় চট্টগ্রাম। আফিফ করেন ২৬ রান।

৮৪ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর জয়ের ব্যাটে খুলনা সাফল্যের পথে এগোতে থাকে। যদিও জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি জয়, ইনিংস সেরা ৩৯ রান করেন তিনি। 

ফাহিম আশরাফ ৮ বলে ৩ চারে ১৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলকে জেতান। ১৮.২ ওভারে ৬ উইকেটে ১২২ রান করে খুলনা।

৪ ওভারে ১২ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন খুলনার নাহিদুল। তিনি তৃতীয় ওভারে পরপর আভিষ্কা ফার্নান্ডো (৮) ও ইমরানুজ্জামানকে (০) ফেরান। পরের ওভারে এই পেসারের শিকার হন তানজিদ হাসান তামিমও (১৯)।

নবম ওভারে দলের অর্ধেক ব্যাটার ফিরে যান। ৬১ রানে অধিনায়ক শুভাগত হোম (২) থামেন। তার আগের ওভারে শাহাদাত হোসেন দীপুও (৬) বিদায় নেন।

৬১ রানে ৫ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। নাজিবউল্লাহ জাদরানকে (২৪) নিজের চতুর্থ শিকার বানান নাহিদুল। দলীয় ৮০ রানে সপ্তম উইকেট হারানোর পর নিহাদুজ্জামানকে নিয়ে শহীদুল ইসলামের জুটিতে একশ পার করে দলটি। 

নিহাদুজ্জামান (৯) আউট হলে ভাঙে সর্বোচ্চ ২৯ রানের জুটি। ফাহিম আশরাফ একই ওভারে বিলাল খানকে ফেরান। ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে শহীদুলকে আউট করেন ওশানে থমাস। ইনিংস সেরা ৪০ রান করেন চট্টগ্রামের এই ব্যাটার।

নাহিদুল সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দেন তিনি। তিনটি উইকেট পান ফাহিম। পাকিস্তানি পেসারের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন ওশানে থমাস।