গতবারের রার্নাসআপ সিলেট স্ট্রাইকার্স হারের বৃত্তেই আটকে রয়েছে। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে এসেও হারের বৃত্ত ভাঙ্গতে পারেনি তারা। টানা ৫ হারে পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে থাকা সিলেট প্লে-অফ থেকে প্রায় ছিটকেই গেছে, বলা চলে। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বরিশাল আগে ব্যাটিং করে সিলেটকে ১৮৭ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে খেলতে নেমে ১৭ দশমিক ৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানে অলআউট হয় মাশরাফিরা। ফলে ৪৯ রানের জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে অবস্থান করেছে তামিমের দল।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে ফরচুন বরিশাল। আহমেদ শেহজাদের ৬৬ রানের পর মাহমুদউল্লাহর ৫১ রানের ক্যামিও ইনিংসের কল্যাণে সিলেটকে ১৮৭ রানের লক্ষ্য দিতে পারে বরিশাল। জবাবে খেলতে নেমে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় ১৩৭ রানে অলআউট হয় মাশরাফির সিলেট। আর তাতেই টানা তিন ম্যাচ হারের পর ৪৯ রানে জয়ের দেখা পেলো তামিম ইকবালের দল।
১৮৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৫ রানে নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ে শুরু হয় সিলেটের ব্যাটিং ব্যর্থতার মিছিল। এরপর শামসুর রহমান ও জাকির হাসান মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাদের ১৮ রানের জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ ইমরান। এরপর মাশরাফি বিদায় নিলেও জাকির ও বেনি হাওয়েল মিলে সিলেটকে ম্যাচেই রেখেছিলেন। ৪২ বলে ৫৮ রানের জুটির পথে, মনে হচ্ছিলো ম্যাচটি বুঝি জিতেই যাচ্ছে সিলেট। কিন্তু ইমরানের বলে মিরাজের দারুণ এক ক্যাচে জাকির (৪৬) রানে ফেরার পরই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় সিলেট। ১০৯ রানে তিন উইকেট থেকে, ১৩৭ রান করতেই সিলেট হারায় বাকি উইকেটগুলো। দলের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান আসে বেনি হাওয়েলের ব্যাট থেকে (২৪)।
বরিশালের হয়ে ইমরান ২৯ রানে নেন চারটি উইকেট। মেহেদী হাসান ও খালেদ আহমেদ নেন দুটি করে উইকেট।
৪১ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৬৬ রানের ইনিংসটি সাজান পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার। তবে আসল কাজটা করেছেন মাহমুদউল্লাহ। তার ২৪ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ক্যামিও ইনিংসের উপর ভর করে বরিশাল ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে। মিরাজ খেলেন ৬ বলে ১৫ রানের বিস্ফোরক ইনিংস।
সিলেটের বোলারদের মধ্যে বেনি হাওয়েল ২১ রান খরচায় নেন তিনটি উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন নাঈম হাসান ও রিচার্ড এনগ্রাভা।