অথচ গত এশিয়া কাপের ফাইনালিস্ট ছিল এ দুই দল। এবারের আসরে আগেভাগেই বিদায় নিয়েছে তারা। তবে শেষ ম্যাচটি জিততে চায় দুই দলই। সান্ত্বনার জয় নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায় তারা। শ্রীলঙ্কা দলের নিয়মিত অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গা বলেন, ‘কালকের(শুক্রবার) ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। দুই দলের কেউই ফাইনালের জন্য কোয়ালিফাই করেনি। তারপরও ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দুই দলেই প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে। যারা ভালো খেলতে চায়।’
আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে কষ্টেই জয় পায় শ্রীলঙ্কা। এরপর ভারত ও বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা হেরে ফাইনালের পথ কঠিন করে ফেলে লঙ্কানরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ জয় পেলেই নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের বিদায়।
নিয়মরক্ষার ম্যাচে শ্রীলঙ্কার চোটে পড়া অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গার খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া শুক্রবারের ম্যাচে আফ্রিদির দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন হতে পারে।
টুর্নামেন্টে নিজেদের শুরুটা খুব বাজেভাবে করে পাকিস্তান। চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ৫ উইকেটে হারে তারা। এরপর আরব আমিরাতে সাথেই সংগ্রাম করে জয় পায় তারা। পরের ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে মাথা নত করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় আফ্রিদির দল।
এবারের এশিয়াকাপে দুই দলেরই মূল সমস্যা ব্যাটিং নিয়ে। দুই দলেরই বোলিং লাইনআপ দুর্দান্ত। তাই শেষ ম্যাচে নিজেদের ব্যাটসম্যানদের জন্য পরীক্ষা। এ ম্যাচে দুই দলই তাদের রিজার্ভ বেঞ্চের খেলোয়াড়দের খেলাবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। তাই এ ম্যাচ তাদের জন্য প্রমাণের বড় সুযোগ।
মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। দুই দলের মোট ১৪ বারের লড়াইয়ে পাকিস্তান জিতেছে নয়বার আর শ্রীলঙ্কা জিতেছে পাঁচ বার।
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন।
/আরআই/এফআইআর/