আবারও ঢাকাকে হারালো সিলেট

গতবারের রানার্সআপ সিলেট স্ট্রাইকার্স একের পর এক ম্যাচ হেরেই চলছিল। বিপিএলে নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে গিয়ে তারা প্রথম জয় পায়। ঘরের মাঠ সিলেটে তারা হারায় দুর্দান্ত ঢাকাকে। এক ম্যাচ পর আবার সেই দলকে পেয়ে দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেলো সিলেট।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ইনজুরিতে ঢাকার নেতৃত্ব পান তাসকিন আহমেদ। তার অধিনায়কত্বে খেলতে নেমে মাত্র ১২৫ রানের লক্ষ্য দেয় সিলেটকে। লো স্কোরিং এই ম্যাচে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ৬ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে মোহাম্মদ মিঠুনের দল।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে শুরুতে ওপেনার সাব্বির হোসেনকে হারালেও দারুণ শুরু করেছিল ঢাকা। প্রথম দশ ওভার যেভাবে ব্যাটিং করেছে, তাতে স্কোর ১৮০ প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু মিডল অর্ডারের ব্যাটিং বিপর্যয়ে ৮ উইকেটে ১২৪ রানে থামে ঢাকা। জবাবে খেলতে নেমে সিলেটও ঢাকার বোলারদের তোপের মুখে পড়ে। পাওয়ার প্লের আগে ৪১ রানে ঢাকা তিন উইকেট নিয়ে চাপে ফেলে দিয়েছিল সিলেটকে। ৭৪ রানে ৫ উইকেট হারায় তারা, তাতে ম্যাচ জমজমাট হয়ে উঠেছিল। তবে দুই বিদেশি বেনি হাওয়েল ও রায়ান বার্লের ৫৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১৯তম ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সিলেট। হাওয়েল ২৬ বলে ৩০ রান করেন এবং বার্ল অপরাজিত ছিলেন ৩১ বলে ২৯ রানে।

ঢাকার বোলারদের মধ্যে ২৭ রান খরচায় তিনটি উইকেট নিয়েছেন শরিফুল। বাকি দুটি উইকেট নেন উসমান কাদির।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় ঢাকা। ৪ রানে প্রথম উইকেট হারালেও ১০ ওভারে দলটি তুলে ফেলে ৮২ রান। দ্বিতীয় উইকেটে নাঈম শেখ ও সাইফ হাসানের করা ৭৮ রানেই জুটি প্রতিরোধ গড়ে। কিন্তু তার পরই ঘটে ছন্দপতন। ১ উইকেটে ৮২ রান করা দলটি নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। তাতে প্রত্যাশিত রান করার আগেই শেষ হয় ঢাকার ইনিংস। সাইফ ৩২ বলে খেলেন ৪১ রানের ইনিংস। নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রানের ইনিংস, ২৯ বল খেলেন তিনি। লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও খুব বেশি লাভ হয়নি ঢাকার।

সিলেটের বোলারদের মধ্যে রেজাউর রহমান রাজা ২০ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া সামিত প্যাটেল দুটি এবং হাওয়েল ও নাঈম হাসান একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

পয়েন্ট টেবিলে দুই দলই সবার নিচে অবস্থান করছে। আজকের ম্যাচ জিতে সিলেট ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে। এক জয়ে ঢাকার অবস্থান সাতে।