বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে শুভ সূচনা হয়েছিল দুর্দান্ত ঢাকার। ওই শেষ, তারপর আর জয়ের দেখা পায়নি তাসকিন-মোসাদ্দেকদের এই দল। এমনকি শেষ ম্যাচেও সান্ত্বনার জয় পেলো না। টানা ১১ ম্যাচ হেরে ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করে বিপিএল শেষ করলো ঢাকা। শনিবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ১০ রানে হেরেছে ঢাকা। অন্যদিকে টানা তিন হারের পর স্বস্তির জয়ে চট্টগ্রামের প্লে অফ খেলার স্বপ্নটা বেঁচে রইলো। ১১ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চার নম্বরে উঠেছে চট্টগ্রাম।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে ঢাকাকে ১৬০ রানের লক্ষ্য দেয় চট্টগ্রাম। মাঝারি মানের এই লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৯ রানেই টপ অর্ডার দুই ব্যাটারকে হারায় ঢাকা। এরপর প্রায় প্রতি ম্যাচেই ঢাকার হয়ে মান বাঁচানো ইনিংস খেলা অ্যালেক্স রস তৃতীয় উইকেটে নাঈম শেখকে নিয়ে গড়েন ৫১ রানের জুটি। নাঈম ৩৫ বলে ২৯ রান করে আউট হতেই জুটি ভাঙে তাদের।
নাঈম ফেরার কিছুক্ষণ বাদে শেন উইলিয়ামসও (৯) বিদায় নেন। তবে একাই লড়াই চালিয়ে যান রস। ৪৪ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৫ রানে আউট হতেই ঢাকার ম্যাচটা কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২২ রান প্রয়োজন ছিল। কিন্তু মোসাদ্দেক-ইরফান শুক্কুর জুটি এই সমীকরণ মেলাতে পারেননি। আর তাতেই ১৪৯ রানে থামে ঢাকার ইনিংস। মোসাদ্দেক ২৯ ও ইরফান ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে শুভাগত হোম ১২ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া বিল্লাল খান, সালাউদ্দিন শাকিল ও শহিদুল ইসলাম একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে চট্টগ্রামের শুরুটাও হয়েছে ভূতুড়ে। ইনিংসের প্রথম বলেই মোসাদ্দেকের ডেলিভারিতে বিদায় নেন ওপেনার সৈকত আলী (০)। দলীয় ২৪ রানে জশ ব্রাউনও (১১) বিদায় নিলে চাপ বাড়ে চট্টগ্রামের ওপর। তবে তৃতীয় উইকেট তানজিদ হাসান তামিম ও টম ব্রুসের ৬৮ বলে ৯৫ রানের জুটিতে চট্টগ্রাম ৬ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে। ব্রুস ২ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেও তানজিদ খেলেছেন ৭০ রানের ইনিংস। তার ৫১ বলের ইনিংসটিতে ছিল ১ চার ও ৫ ছয়। তিনিই হয়েছেন ম্যাচসেরা।
ঢাকার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ।