তিনি বলেন, ‘এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথম ম্যাচটি অনেক কঠিন ছিল। আর সেই ম্যাচে জয়ী হয়ে শুরু করাটাও ভারতের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শুরুতে সেই ম্যাচে চাপেই ছিলাম। শেষ ১০ ওভারে ঘুরে দাঁড়াই। কালকের ম্যাচে বোলিং ও ব্যাটিংয়ের মাঝে সঠিক ভারসাম্য আনাটাই জরুরি। তবে বাংলাদেশ নিজ মাঠে শক্ত প্রতিপক্ষ।’
বাংলাদেশের ‘হোম ক্রাউড’-এ খেলা। এ নিয়ে ভারত কোনও চাপে রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে রবি শাস্ত্রী বলেন, ‘এ নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। আমরা বড় দর্শকদের সামনে খেলতে অভ্যস্ত। শতভাগ সমর্থন বাংলাদেশের পক্ষে থাকলেও কিছু আসে যায় না। শীর্ষ পর্যায়ে খেলার জন্য এই চাপ সামলাতে অভ্যস্ত হতে হয়। ভারত সেটিতে পারদর্শী।’
রবি শাস্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল পিচ নিয়ে তাদের কোনও ভাবনা আছে কিনা। এমন প্রশ্নে রবি শাস্ত্রী বলেন, ‘এটিতে আমাদের কোনও হাত নেই। আমাকে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে বলা হয়েছিল সবুজ ঘাসে মোড়া উইকেট পাবেন আপনি। যে ধরনের উইকেটই হোক আমরা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত। আর যে কোনও কন্ডিশনে খেলাই ভালো ক্রিকেটারদের কাজ। আর এটি মনে রাখা দরকার এক দলই পিচে খেলে না। দুটি দলই সেখানে খেলে।’
এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের শীর্ষে রয়েছে ভারত। ভারতের এমন অবস্থান নিয়ে সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘ভারত এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টির শীর্ষ দল। এটি এক দিনের ফসল নয়। ধীরে ধীরে এই অবস্থানে পৌঁছেছে। আশা করি ফাইনালেও এই ধারাটি অব্যাহত থাকবে।’
কালকের ম্যাচের জন্য ভারত কতটুকু প্রস্তুত? এমন প্রশ্নে আত্মবিশ্বাসী শাস্ত্রী বলেন, ‘ভারতের অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড় রয়েছে। আমরা এটিকে আরেকটি খেলা হিসেবেই ধরে নিতে চাই। ফাইনাল হিসেবে নয়। টুর্নামেন্টে প্রতিটি খেলাই ছিল আমাদের জন্য নক আউট। কালকে খেলার জন্য আমাদের বিশেষ কোনও চিন্তা ভাবনা থাকবে না। এক দুজন খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল নই আমরা। ভারতীয় ক্রিকেট দল খেলবে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।’
এবারের আসরে পাকিস্তানের মানের পতন হয়েছে। বাংলাদেশের হয়েছে উত্থান। এমন তুলনায় শাস্ত্রী নিজের অভিমতে বলেন, ‘আমার মনে হয় না পাকিস্তান ভারতের স্থানে এসে গেছে। আর প্রতিদ্বন্দ্বিটা ভারত-বাংলাদেশ কেন্দ্রীক হয়ে গেছে। পাকিস্তান কিছু দিন আগেও শীর্ষ দুইয়ের একটি ছিল। এখন ভারত শীর্ষে আছে। শ্রীলঙ্কা কিছুদিন আগেও ছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। প্রতিটি দলেরই উত্থান পতনের মাঝেই যেতে হয়।’
/আরএম/এফআইআর/