আগের ম্যাচে ৬৭ রান করে আউট হলেও শুক্রবার সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৯১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন সাদমান ইসলাম। তিনি আক্ষেপ করতেই পারেন, লক্ষ্যটা কেন আরও বড় হলো না! সিটি ক্লাবের দেওয়া ১৮৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩৭.১ ওভারে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ৫ উইকেট হারিয়ে জিতে গেছে। দলকে জেতালেও আক্ষেপে পুড়লেন জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া এই ক্রিকেটার।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আগে ব্যাটিং করে ৪৬.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে সিটি ক্লাব। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। তবে দ্বিতীয় উইকেটে চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে সাদমান গড়েন ৬৫ রানের জুটি। রিজওয়ান ৩৪ রানে আউট হওয়ার পর মুমিনুলের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৫৫ রানের। মুমিনুল বেশিদূর এগোতে পারেননি। ২৯ বলে ৩২ রান করে আউট হন।
এরপর আরও দুটি উইকেট হারালেও জয় পেতে সমস্যায় হয়নি রূপগঞ্জের। আমিনুল ইসলাম বিপ্লব (১৮) ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী (২) আউট হয়েছেন। কিন্তু স্কোরবোর্ডে পর্যাপ্ত রান না থাকায় শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি ছুঁতে পারেননি সাদমান। ১০৯ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ম্যাচসেরা ইনিংস।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে সিটি ক্লাব। দলের ১৮৭ রানের মধ্যে ওপেনার সাদিকুর রহমান একাই করেছেন ৯৬ রান। তার দৃঢ়চেতা এই ইনিংসের কল্যাণেই মূলত মাঝারি মানের একটি সংগ্রহ দাঁড় করাত পারে সিটি ক্লাব। ১১০ বলে ১১ চারে এই ইনিংস খেলেন সাদিকুর। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রান আসে আশিকুল আলমের ব্যাট থেকে। এছাড়া রাফসান আল মাহমুদ খেলেন ১৮ রানের ইনিংস। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
রূপগঞ্জের বোলারদের মধ্যে আলাউদ্দিন বাবু ৩২ রানে ও আব্দুল হালিম ৪৪ রানে সমান চারটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া শুভাগত হোম নেন দুটি উইকেট।