টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাকি ১৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে পাঁচটি ভেন্যুতে—চণ্ডীগড়, মুম্বাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও দিল্লিতে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলো।
ভেন্যু: বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, নাগপুর
উদ্বোধন : ২০০৮ সাল
আসন সংখ্যা : ৪০ হাজার
এই মাঠে পুরুষদের ৯টি ও নারীদের ২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
ভেন্যু : হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ক্রিকেট স্টেডিয়াম
উদ্বোধন : ২০০৩ সাল
আসন সংখ্যা : ২৩ হাজার
পুরুষ ক্রিকেট দলের ৮টি ম্যাচের পাশাপাশি; দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ ও দুটি মহিলা ক্রিকেট দলের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই মাঠে প্রথম পর্বে বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধন : ১৮৬৪ সাল
আসন সংখ্যা : ৬৬ হাজার
তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াও সুপার এইটের তিনটি ম্যাচ এই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ যদি প্রথম পর্বে উতরে যায়। তবে এখানে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে। এছাড়া ৬ষ্ঠ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটিও এখানে অনুষ্ঠিত হবে।
ভেন্যু : ওয়াংখেড় স্টেডিয়াম মুম্বাই
উদ্বোধন: ১৯৭৪ সাল
আসন সংখ্যা: ৩২ হাজার
পুরুষ ও নারী দলের দুটি সেমিফাইনাল ছাড়াও সুপার টেনের তিনটি ম্যাচ এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধন : ১৯৬৯সাল
আসন সংখ্যা : ৪০ হাজার
এই মাঠে পুরুষদের গ্রুপ ‘এ’ দুটি ম্যাচ এবং গ্রুপ ‘বি’ একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া নারী ক্রিকেট দলের ৬টি ম্যাচ হবে। বাংলাদেশ যদি প্রথম পর্ব পেরিয়ে আসে। তাহলে টাইগাররা এই মাঠে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে।
ভেন্যু : পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, মোহলি
উদ্বোধন : ১৯৯৩ সাল
আসন সংখ্যা : ২৬ হাজার
এই মাঠে পুরুষদের তিনটি ও নারীদের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
ভেন্যু : ফিরোজ শাহ কোটলা, দিল্লি
উদ্বোধন: ১৮৮৩ সাল
আসন সংখ্যা : ৪৫ হাজার
এই মাঠে নারীদের ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে দুটি সেমিফাইনালও রয়েছে। অন্য দিকে পুরুষদের ২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য ফিরোজ শাহ কোটলায় এখন পর্যন্ত কোনও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়নি।
/এমআর/