অস্ট্রেলিয়ার কাউকে কোচ হওয়ার প্রস্তাব দেয়নি বিসিসিআই: জয় শাহ

এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। দায়িত্ব চালিয়ে যেতে আর ইচ্ছুক নন তিনি। তার উত্তরসূরি খুঁজতে কিছুদিন আগে বোর্ড বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল, আবেদনের মেয়াদ শেষ হবে ২৭ মে। তবে এরই মধ্যে নিউজিল্যান্ডের স্টিফেন ফ্লেমিং, ভারতের ভিভিএস লক্ষ্মণ, বীরেন্দর শেভাগ ও আশিষ নেহরার নাম শোনা যাচ্ছে। আলোচনায় এসেছে অস্ট্রেলিয়ান জাস্টিন ল্যাঙ্গার ও রিকি পন্টিংয়ের নামও। কিন্তু বিসিসিআই সেক্রেটারি জয় শাহ পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, কোনও অস্ট্রেলিয়ানকে কোচ হওয়ার প্রস্তাব তারা দেননি।

লখনউ সুপার জায়ান্টসের প্রধান কোচ ল্যাঙ্গার নিজে থেকেই নাকি আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে দিল্লি ক্যাপিটালস কোচ পন্টিংয়ের দাবি, তাকে প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি রাজি নন। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘ওদের সিনিয়র জাতীয় দলটির দায়িত্ব নিতে পারলে ভীষণ খুশি হতাম। কিন্তু আমার জীবনে অন্যান্য বিষয় থাকায় ঘরেও কিছুটা সময় কাটাতে চাই... আর এটা সবাই জানে, কেউ ভারতের জাতীয় দলে সম্পৃক্ত হলে তখন আর আইপিএলে যুক্ত থাকা যায় না। আর জাতীয় দলের হেড কোচ হওয়া মানে বছরের ১০-১১ মাসের চাকরি। কিন্তু এই মুহূর্তে এটা আমার জীবন ধারার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। যেমনটা আমি উপভোগ করে আসছি।’

শুক্রবার দুই অস্ট্রেলিয়ানকে কোচ হওয়ার প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়ে জয় শাহ জানিয়েছেন, ভারতের পরবর্তী প্রধান কোচ এমন কেউ হবেন, যার ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ে গভীর জ্ঞান আছে এবং ভালো বোঝেন। তার এই বক্তব্যে জল্পনা শুরু হয়েছে, ভারতেরই কেউ বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।

জয় শাহ বলেছেন, ‘আমি বা বিসিসিআই, কেউই সাবেক কোনও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারকে কোচিংয়ে চাকরির প্রস্তাব দেইনি। গণমাধ্যমে যে রিপোর্টগুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

এরপরই তিনি জানিয়ে দিলেন পরবর্তী ভারতীয় কোচ হওয়ার কী যোগ্যতা লাগবে, ‘আমাদের জাতীয় দলে সঠিক কোচ খোঁজা একটি সূক্ষ্ম ও পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রক্রিয়া। আমরা এমন কাউকে চিহ্নিত করতে চাচ্ছি যার ভারতীয় ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে গভীর ধারণার অধিকারী এবং ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন।’

জয় শাহ আরও জানান, ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে গভীর জ্ঞান থাকাও পরবর্তী কোচ হওয়ার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হবে। এটি ভারতীয় দলকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখবে।