টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কানাডার কোচ পুবুদু দসানায়েকেকে নিয়ে এক প্রস্থ নাটকই হয়ে গেলো! বুধবার বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট গুরদীপ ক্লেয়ার কোচকে জানিয়ে দেন যে, আর দায়িত্বে থাকতে পারবেন না তিনি! একই দিন সন্ধ্যার মিটিংয়ের পর অবশ্য তাকে রাখার পক্ষেই রায় দেয় কানাডিয়ান ক্রিকেট বোর্ড!
ক্রিকবাজের খবরে এটা স্পষ্ট বোঝা গেছে, কোচকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তটা মোটেও বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও রায় ছিল না। একপাক্ষিকভাবে সেটা ছিল অনানুষ্ঠানিক। শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘আশা করছি, যা হয়েছে সেটা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে পারবো। এখন আমাদের মূল ফোকাস থাকবে ক্রিকেটে। টুর্নামেন্টে কোয়ালিফাই করতে ছেলেরা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছে। এখন আমরা প্রথম ম্যাচ খেলার জন্য মুখিয়ে।’
২০২২ সালের জুলাই থেকে কানাডার সঙ্গে দ্বিতীয় মেয়াদে কাজ করছেন দসানায়েকে। তার আগে যুক্তরাষ্ট্র এবং নেপালের কোচ ছিলেন দুইবার। তার অধীনেই কানাডা প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
হেড কোচকে রেখে দেওয়ার দিন বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে ক্রিকেট কানাডা। শুরুতে বাদ পড়া স্পিনার নিখিল দাত্তাকে চূড়ান্ত স্কোয়াডে নেওয়া হয়েছে। বামহাতি পেসার রিশিভ জোশিও স্থান পেয়েছেন ১৫ সদস্যের দলে। বাদ পড়েছেন ব্যাটার কানওয়ারপাল টাথগুর ও স্পিন অলরাউন্ডার হর্শ ঠাকুর।
এভাবে বাদ পড়াতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঠাকুর। সোশ্যাল মিডিয়াতে সমালোচনা করে বলেছেন, এভাবে বাদ পড়ায় তিনি আসলে ‘বিশ্বাসঘাতকতা ও অশ্রদ্ধার’ শিকার হয়েছেন।