শরিফুলকে হারিয়ে তাসকিন বলেছেন, ‘বড় ক্ষতি হয়ে গেলো’

শেষ কয়েক বছরে শরিফুল ইসলাম নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পেসার। পাওয়ার প্লেতে উইকেট তুলে নিতে বাংলাদেশ দলের মূল ভরসা তিনি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম জুটি তুরুপের তাস হয়ে উঠেছেন। বাংলাদেশের এই দুই পেসারের বোলিংয়ে প্রায়ই নাভিশ্বাস উঠে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের। স্বাভাবিক ভাবেই শরিফুলের অনুপস্থিতি টিম ম্যানজমেন্টকে চিন্তায় ফেলেছে। তাসকিনের কথায় যা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

ডালাসে সাংবাদিকদের তাসকিন বলেছেন, ‘শরিফুলের বিষয়টা খুব দুর্ভাগ্য বলতে হবে। তার মাত্র ১ বল বাকি ছিল। ওই সময়ে লেগে হাতটা ফেটে গেছে। তার ব্যাপারটা বলা একটু কঠিন। মাত্র তিন দিন আগে হয়েছে। আমরা এখনও কিছু বলতে পারছি না যেহেতু সেলাই পড়েছে। চিকিৎসকেরা কী সিদ্ধান্ত নেন সেটির ওপর নির্ভর করে। শরিফুল খেলতে না পারলে আমাদের বোলিং আক্রমণের জন্য বড় ক্ষতি।’

ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে চোট পাওয়া বাঁহাতে ছয়টি সেলাই লেগেছে শরিফুলের। এই ধরনের ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে অন্তত সাত থেকে দশ দিন সময় প্রয়োজন। ফলে শুধু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই নয়, শরিফুল ছিটকে যেতে পারেন ১০ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও। দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলামের কথাতে তেমনটাই বোঝা গেছে, ‘এ ধরনের সেলাই ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিরাময় হয়ে যায়। বাকিটা খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকেরাও কিছু পরামর্শ দিয়ে রেখেছেন। আরও তিন-চার দিন পর ওর ব্যাপারে বোঝা যাবে। প্রথম ম্যাচে (শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ)।’

ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে ৮ জুন শুরু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বুধবার গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম থেকে ৪০ মাইল দূরের মাসটাং ক্রিকেট একাডেমির ইনডোরে অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। তাসকিন আজ অনুশীলনে এলেও বোলিং করেননি। আগের দিন লম্বা রানআপে বোলিং করলেও আজকে অনেকটাই বিশ্রামে কাটিয়েছেন। তবে কাল (বৃহস্পতিবার) চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিবেন বলে জানা গেছে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলার আশা তাসকিনের। নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তাসকিন বলেছেন, ‘উন্নতি অনেক ভালো। তিনটা বোলিং সেশন করেছি। ধীরে ধীরে উন্নতি করছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছি। আশা করছি, প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলতে পারবো, কালও একটা বোলিং সেশন আছে। বাকিটা আল্লাহ ভরসা।’