২০২১ সালে বাংলাদেশ সফরে এসেছিল অস্ট্রেলিয়া। ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল ম্যাথু ওয়েডের দল। অস্ট্রেলিয়াকে বাংলাদেশে হারাবে; তাও আবার সিরিজে-এমন কিছু বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা তো বটেই সমর্থকরাও ঘুণাক্ষরে ভাবতে পারেননি। ওই চারটি জয়ই বাংলাদেশের সুখস্মৃতি। এর আগে-পরে মিলিয়ে আরও ৫টি ম্যাচ খেললেও সবগুলোতে হেরেছে বাংলাদেশ। এই দলটার বিপক্ষে শুক্রবার সকালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে বাংলাদেশ মাঠে নামছে। নাজমুল হোসেন শান্তদের সুপার এইট মিশন শুরুর আগে আলোচনায় মিরপুরের সেই স্মৃতি কি ফেরানো যাবে অ্যান্টিগায়?
শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে। যা সরাসরি সম্প্রচার করবে বেসরকারি টেলিভিশন নাগরিক টিভি।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় দিয়ে সুপার এইট পর্ব শুরু করতে পারলে বাংলাদেশের জন্য সেমিফাইনালে যাওয়ার পথটা সহজ হয়ে যাবে। প্রতিপক্ষ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া শক্তিশালী হলেও কন্ডিশনের কারণে কিছুটা হলেও বাংলাদেশ সুবিধা পাবে। তিন বছর আগে মিরপুরের স্লো উইকেটেইতো তারা অজিদের হারিয়েছিল। স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার, অ্যারন ফিঞ্চরা সেবার না এলেও অস্ট্রেলিয়ার কম শক্তিশালী ছিল না। জশ হ্যাজেলউড, অ্যাডাম জাম্পা, মিচেল মার্শরা ছিলেন। ম্যাথু ওয়েডের নেতৃত্বাধীন সেই দলটাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন মূলত বাংলাদেশের স্পিনাররা। অ্যান্টিগার উইকেট পুরোপুরি স্পিনবান্ধব না হলেও কিছুটা স্লো ঘরানার। সেখানে বাংলাদেশের তানিজম হাসান সাকিব ও মোস্তাফিজুর রহমানের জন্য দারুণ সহায়ক উইকেট। পাশাপাশি সাকিব আল হাসান, রিশাদ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহর স্পিনজাদুও কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে সতীর্থদের চাপমুক্ত হয়ে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন, ‘সুপার এইটে ওঠা ছিল এই টুর্নামেন্টে আমাদের প্রথম লক্ষ্য। আমরা সেটা অর্জন করতে পেরেছি, বোলাররা আমাদের টিকিয়ে রেখেছে। আমরা কন্ডিশন বুঝে খেলেছি, কন্ডিশনকে নিজেদের পক্ষে ব্যবহারও করতে পেরেছি। এখানে আসতে (সুপার এইট) পেরে আমরা খুবই খুশি, আর এখান থেকে যেকোনও প্রাপ্তিই হবে বোনাস। তাই আমরা বেশ স্বাধীনতা নিয়ে খেলবো। তিনটি দলকেই আমরা যতটা সম্ভব চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবো।’