আগের ওভারে শেষ দুই বলে নিয়েছিলেন দুই উইকেট। শেষ ওভারে এসে প্রথম বলেই ফেরালেন তাওহীদ হৃদয়কে। স্কুপ করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে ধরা পড়েন হৃদয়। তাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করার কীর্তি করেছেন পেসার প্যাট কামিন্স। তবে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাটট্রিক এটি।
২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষেই প্রথম হ্যাটট্রিকটি করেছিলেন ব্রেট লি। এবার করলেন কামিন্স। সব মিলিয়ে এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম হ্যাটট্রিক!
১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে পরপর দুই বলে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে তখন বাংলাদেশ। কামিন্সের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ বোল্ড হন। তার ব্যাট থেকে ৩ বলে আসে ২ রান। এরপর ক্রিজে এসে প্রথম বলে ফেরেন শেখ মেহেদী। আপার কাট করতে গিয়ে ধরা পড়েন অ্যাডাম জাম্পার হাতে। এরপর ১৯তম ওভারের প্রথম বলে তাওহীদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার। ৪ ওভারে ২৯ রান খরচ করে অজি এই পেসার নিয়েছেন তিনটি।
সবমিলিয়ে ১৪০ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। সর্বোচ্চ ৪১ রান আসে শান্তর ব্যাট থেকে। তাওহীদ খেলেন ৪০ রানের ইনিংস। নিজের শেষ দুই ওভারে কামিন্স হ্যাটট্রিক না করলে আরও কিছু রান বাড়তে পারতো। শেষ পর্যন্ত তাসকিনের ১৬ রানের ওপর ভর করে বাংলাদেশ মোটামুটি একটি সংগ্রহ দাঁড় করাত পারে।