শরিফুল সেরা বোলিং করলেও ক্যান্ডির হারের হ্যাটট্রিক

ডাম্বুলা সিক্সার্সকে হারিয়ে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শুরু করেছিল ক্যান্ডি ফ্যালকন্স। তারপর থেকে হারের বৃত্তে আটকে আছে দলটি। রবিবার টানা তৃতীয় ম্যাচে তারা হারলো গলে মার্ভেলসের কাছে। আগে ব্যাটিং করে ক্যান্ডি তুলেছিল ৭ উইকেটে ১৭৫ রান। জবাবে খেলতে নেমে গলে ১৭ বল আগেই ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। শরিফুল ইসলাম সেরা বোলিং করলেও অন্য বোলারদের কাছ থেকে সহযোগিতা মেলেনি। তাতে করে হার দেখলো তার দল। ৪ ওভারে ৩২ রান খরচ করে শরিফুলের শিকার দুটি উইকেট। শনিবার নিজের প্রথম ম্যাচে এই পেসার কলম্বো স্ট্রাইকার্সের দুটি উইকেট পান।

ডাম্বুলায় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও আন্দ্রে ফ্লেচারের জোড়া হাফ সেঞ্চুরি করেন ক্যান্ডির হয়ে। জবাবে খেলতে নেমে প্রথম ওভারে বাংলাদেশের পেসার দলকে সাফল্য এনে দেন। অধিনায়ক নিরোশান ডিকভেলাকে (১২) ফ্লেচারের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান শরিফুল। এরপর অ্যালেক্স হেলস ও টিম সেইফার্ট মিলে ৩৪ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়ে জয়ের পথটা সহজ করে দেন। ১৯ বলে ৩৮ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে আউট হন হেলস। এরপর ভানুকা রাজাপাকসে (১৬) ও জানিথ লিয়ানাগে (১১) দ্রুত আউট হন। 

তবে একপাশে সেইফার্ট যেভাবে ব্যাটিং করেছেন, তাতে করে দ্রুত দুই উইকেটের পতন গলের ইনিংসে কোনও প্রভাবই ফেলতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৮২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার। ৪৯ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান সেইফার্ট। 

ক্যান্ডির বোলারদের মধ্যে শরিফুল ৩২ রানে নিয়েছেন দুটি উইকেট। এছাড়া হাসারাঙ্গা ও লাকশান সান্দাকান একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় ক্যান্ডি। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৪ উইকেট হারায় তারা। শুরুতে দ্রুত উইকেট হারানোর খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। যদিও ওপেনার ফ্লেচারের ৩৬ বলে ৫০ রানের ইনিংসের কল্যাণে প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে উঠে ক্যান্ডি। এরপর অধিনায়ক হাসারাঙ্গা খেলেন অধিনায়কোচিত ইনিংস। ৩২ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন তিনি। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা বিফলে গেছে।

গলের বোলারদের মধ্যে ইসুরু উদানা ৩০ রানে তিনটি উইকেট শিকার করেছন। এছাড়া জহুর খান নেন দুটি উইকেট।