মালয়েশিয়ার বিপক্ষে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাণ্ডব চালিয়েছেন নিগার সুলতানা ও মোর্শেদা খাতুনরা। আগে ব্যাটিং করে মালয়েশিয়ার বোলারদের বিপক্ষে বাংলাদেশ ১৯১ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৯ সালে মালদ্বীপের বিপক্ষে ২৫৫ রান তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
১৯১ রান করার পথে মোর্শেদা খাতুনের সুযোগ ছিল ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার। ৮০ রানের ইনিংসে খেলে আউট হয়ে কিছুটা অতৃপ্তি থাকলেও মোর্শেদা টানা দুই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি পেয়ে ভীষণ খুশি।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও তার সুযোগ ছিল ইনিংস শেষ করে মাঠ ছাড়ার। কিন্তু হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েই মোর্শেদা ফিরে যান সাজঘরে। বুধবারও একই পরিণতি। সেঞ্চুরি থেকে ২০ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন বাঁহাতি ওপেনার। মালয়েশিয়ার বোলার মাহিরাহ ইজ্জাতিকে কভার দিয়ে চার মেরে ৪৫ বলে তুলে নিয়েছেন ব্যাক টু ব্যাক হাফ সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত আউট হন ৮০ রানে।
১৭তম ওভারের পঞ্চম বলে এলসা হান্টারকে বিশাল ছক্কা মেরে ৮০ রানে পৌঁছান মোর্শেদা। পরের বলেই লম্বা শট খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এবার আর বাউন্ডারি পাননি। ৫৯ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৮০ রানের ইনিংস খেলে ফিরতে হয়েছে সাজঘরে। নিজের ইনিংস নিয়ে ম্যাচ শেষে মোর্শেদা বলেছেন, ‘ভালো লাগছে। ফিনিশ করতে পারলে আরও ভালো লাগতো।’
আজকের ম্যাচে নিজের ব্যাটিং পরিকল্পনা নিয়ে মোর্শেদা বলেছেন, ‘আমি সব সময় চেষ্টা করি, দলের পরিকল্পনায় খেলতে। আজ বল টু বল চেষ্টা করেছি। সামনের ম্যাচেও চেষ্টা করবো এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে।’
মোর্শেদা গত প্রিমিয়ার লিগেও দারুণ ছন্দে ছিলেন। এই ধারাবাহিকতা এশিয়া কাপেও রাখছেন। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। চেষ্টা করেছি আমার মতো করে। প্রিমিয়ার লিগটা আসলে খুব ভালো কেটেছে। গত কয়েক মাস ধরে আমি খুব পরিশ্রম করেছি। পরিশ্রমের ফল পেয়ে ভালো লাগছে।’
মোর্শেদার মতো দলের অধিনায়ক জ্যোতিও দারুণ ভূমিকা রেখেছেন স্কোরকে ১৯১ রানে নিয়ে যেতে। বড় স্কোর গড়ে মালয়েশিয়াকে বড় ব্যবধানে হারার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি, ‘অবশ্যই। আমাদের বোলারর সব সময় ভালো করে। আশা করি আজকে বড় ব্যবধানে জিততে পারবো।’