প্রথম টেস্টে সম্ভাবনা জাগিয়েও ড্রয়ে সন্তুষ্ট থেকেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪০ রানে হারিয়ে ক্যারিবিয়ান দলটির ওপর নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যা তাদের টানা দশম সিরিজ জয়।
গায়ানায় সকালের সেশনে জেইডেন সিলসের ৬১ রানে ৬ উইকেট শিকারে প্রোটিয়ারা দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৬ রানে অলআউট হয়েছে। তাতে লক্ষ্য দিতে পেরেছে ২৬৩ রানের। এই চ্যালেঞ্জিং স্কোরের সামনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ছিটকে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গুটিয়ে যায় মাত্র ২২২ রানে।
অবশ্য শেষটা ছিল নাটকীয়তায় ভরা। শেষ উইকেট হিসেবে ছিলেন জেইডন সিলস। আর খেলা শেষ হওয়ার মিনিট খানেক আগেই আউট হয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান পেসার! তার উইকেট নেন ম্যান অব দ্য সিরিজ কেশব মহারাজ। দুই ম্যাচে ১৩ উইকেট নেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে মহারাজ ৩৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। কাগিসো রাবাদাও ৫০ রানে নিয়েছেন তিনটি। ৩০০ টেস্ট উইকেট নিতে আর একটি শিকার প্রয়োজন ২৯ বছর বয়সী এই পেসারের।
এই সাফল্যে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে টানা সিরিজ জয়ের ধারা অব্যাহত থাকলো দক্ষিণ আফ্রিকার। যার প্রথমটি ছিল সেই ১৯৯৮-৯৯ সালে। সেবার শন পোলকের দল ব্রায়ান লারার নেতৃত্বাধীন দলকে ৫-০ তে বিধ্বস্ত করেছিল। তার পর থেকে প্রোটিয়াদেরই আধিপত্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবশ্য একমাত্র টেস্টে একবারই তাদের হারাতে পেরেছিল। বারবাডোসে ১৯৯২ সালে সেই টেস্টটা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রোটিয়াদের প্রথম টেস্ট। শুধু কি তাই? বর্ণবাদের কারণে নির্বাসিত থাকার ২২ বছর সেই টেস্ট দিয়েই প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল প্রোটিয়াদের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৬০ ও ২৪৬ (মারক্রাম ৫১, ভেরেইন ৫৯; সিলস ৬/৬১)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৪৪ ও ২২২ (মোটি ৪৫, হজ ২৯; রাবাদা ৩/৫০, মহারাজ ৩/৩৭)
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৪০ রানে জয়ী।
সিরিজ: দ.আফ্রিকা ১–০ তে জয়ী।
ম্যাচসেরা: ভিয়ান মুল্ডার