এর আগে বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ১৮১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৮.৩ ওভারে ৪৫ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় ওমান। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার জিসান মাকসুদ (০) ও খাওয়ার আলী (৮)। ৭ ওভারে দুই্ উইকেট হারিয়ে ওমানের সংগ্রহ যখন ৪১ রান তখনই হানা দেয় বৃষ্টি। প্রায় ৫০ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের খেলা শুরু হয়। ১৬ ওভারে ওমনের টার্গেট দাঁড়ায় ১৫৪ রান। খেলা শুরুর পরই রানআউটের শিকার হন আদনান ইলিয়াস। এরপরই আঘাত হানেন সাকিব। তার বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন আমির কলিম (০)। এরপরই ফের হানা দেয় বৃষ্টি। ফলে খেলা আবারও বন্ধ হয়ে যায়।
পুনরায় খেলার শুরু হলে ১২ ওভারে ওমানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২০ রান। কিন্তু রান রেটে গতি বাড়াতে পারেনি ওমানের ব্যাটসম্যানেরা। নবম ওভারের পঞ্চম বলে ফের আঘাত হানেন সাকিব। আমির আলীকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে তিনি। ৫০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে হারের অপেক্ষায় ওমান।
এর আগে ওমানে বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে তামিম ইকবালের শতকে নির্ধারিত ২০ ওভরে ২ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। এই ম্যাচে জয়ী দল বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠবে। ম্যাচে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শতক হাঁকালেন তামিম ইকবাল।
রবিবার রাতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ওমানের অধিনায়ক সুলতান আহম্মেদ। এদিন যেন শুরু থেকে স্বস্তিতে ছিলেন না সৌম্য সরকার। কিছুতেই যেন টাইমিং মেলতে পারছিলেন না তিনি। অবশেষে ৬.৫ ওভারে দলীয় ৪২ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য । ২২ বলে মাত্র ১২ রান করে লালচেতার বলে বোল্ড হন সৌম্য!
সৌম্য আউট হলেও বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন তামিম ইকবাল ও সাব্বির রহমান। দ্রুততার সঙ্গে রান তোলা শুরু করেন এ দুজন। তামিম-সাব্বির ৯.১ ওভারে ৯৭ রনের পার্টনারশিপ গড়ে তুলেন। ষোলোতম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১৩৯ রানে খাওয়ার আলীর বলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোল্ড হন সাব্বির। আউট হওয়ার আগে ৫ চার ও ১ ছয়ে ২৬ বলে ৪৪ রান করেন ইনফর্ম এই ব্যাটসম্যান।
এরপরও থেমে থাকেননি তামিম। এদিন ৬০ বলে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শতক আদায় করে নেন তামিম। শেষ পর্যন্ত ৬৩ বলে ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। সাকিব আল হাসান ৯ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ ১৮০ রান সংগ্রহ করে।
/আরআই/এমআর/